বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শুক্রবারই তৃণমূলের দুই শিবিরকে বিকল্প নাম ও প্রতীক দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেখানে দেখা যায়, ঋতব্রতদের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক দেওয়া হয়েছে। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তবে শেষ অবধি খাম ধরে রাখার লড়াইয়ে তাঁকে হার মানতে হল। নওশাদদের ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট তথা আইএসএফকে (ISF) আলমারি প্রতীক দিল কমিশন। পাশাপাশি হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিকেও (AJUP) নতুন প্রতীক দেওয়া হয়েছে।
হুমায়ুনের দলকে কোন প্রতীক দিল নির্বাচন কমিশন? | (Election Commission)
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে নতুন দল গড়েন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন। বাঁশি প্রতীক নিয়ে ভোট ময়দানে নেমেছিল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। তবে উপনির্বাচনের আগে সেই প্রতীক কেড়ে তামিলনাড়ুর শাসকদল টিভিকে-কে দিয়েছে কমিশন। হুমায়ুনের দলকে দেওয়া হয়েছে টেবিল।
আরও পড়ুনঃ আপনার রেশন কার্ড ক্যানসেল হয়নি তো? বাড়ি বসে কীভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন জানুন
এদিকে আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। সেই ভোটকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানি চরমে ওঠে। এই আবহে বৃহস্পতিবার রাতে কমিশন জানায়, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করা হচ্ছে। দুই শিবিরকে নিজেদের জন্য আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নিতে হবে। তবে তাঁরা চাইলে সেই নামের সঙ্গে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’এর সম্পর্কের উল্লেখ রাখতে পারেন।
এরপরেই মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের তরফ থেকে বিকল্প নাম ও প্রতীক দিয়ে কমিশনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়। এরপর গতকাল তৃণমূলের দুই শিবিরের বিকল্প নাম ও প্রতীক চূড়ান্ত করে দেয় জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন কমিশন।

তখনই দেখা যায়, ঋতব্রতদের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই নিয়ে আগেই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন নওশাদ। তবে শেষ অবধি খাম তাঁর হাতছাড়াই হল।













