বাংলা হান্ট ডেস্ক: মাছ চাষে উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে একটি বিশেষ ভর্তুকি প্রকল্প (Government Scheme) চালু করেছে হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে, রাজ্যের সুখবিন্দর সিং সুখু (Sukhvinder Singh Sukhu) সরকার জেলেদের জন্য মাছ ধরার নৌকা ও সরঞ্জামের ওপর ব্যাপক ভর্তুকি প্রকল্প চালু করেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, সরকার নৌকা কেনার জন্য মৎস্যজীবীদের ৩৫,০০০ টাকা ভর্তুকি দেবে। হিমাচল প্রদেশের এই ভর্তুকি প্রকল্পের অধীনে, অববাহিকা অঞ্চলের যোগ্য জেলেরা নৌকা কেনার জন্য ৭০ শতাংশ আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রতিটি নৌকার দাম ৫০,০০০ টাকা। যার মধ্যে রাজ্য সরকার ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ৩৫,০০০ টাকা দেবে এবং বাকি ৩০ শতাংশ অর্থাৎ ১৫,০০০ টাকা সুবিধাভোগীকে দিতে হবে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল গোবিন্দ সাগর, চামেরা, রণজিৎ সাগর, কোল বাঁধ ও পং বাঁধের মতো প্রধান জলাধারগুলিতে মাছ ধরার বহরের আধুনিকীকরণ করা। যার মাধ্যমে জেলেদের নিরাপত্তা, কার্যকারিতা এবং উপার্জনের সুযোগ উন্নত হবে।
মৎস্যজীবীদের জন্য দুর্দান্ত সরকারি প্রকল্প (Government Scheme):
ভর্তুকি পাওয়ার শর্তগুলি কী কী: জানিয়ে রাখি যে, ভর্তুকি পেতে হলে, আবেদনকারীকে অবশ্যই একটি রেজিস্টার্ড প্রাইমারি ফিশারিজ কোঅপারেটিভ সোসাইটির সক্রিয় সদস্য হতে হবে এবং একটি অর্থবর্ষে কমপক্ষে ৫০ দিন মাছ ধরার কাজে নিযুক্ত থাকতে হবে।

কাস্ট নেট ও গিল নেটের ওপর ৯০ শতাংশ ভর্তুকি: আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে, হিমাচল প্রদেশ সরকার ভর্তুকিযুক্ত মাছ ধরার সরঞ্জামের একটি প্রকল্প চালু করেছে। যেখানে কাস্ট নেট ও গিল নেটের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায়, নদীতে মাছ ধরার ক্ষেত্রে জেলেরা মাত্র ৩০০ টাকায় ৩,০০০ টাকা মূল্যের জাল পাবেন। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ২,৭০০ টাকা ভর্তুকি দেবে।
আরও পড়ুন: ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে বদলাবে ভারতের ছবি! তৈরি হবে ৪.৩৩ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান, বাড়বে বাড়ির চাহিদাও
জেলেদের ৫,০০০ টাকা মূল্যের জালের জন্য মাত্র ৫০০ টাকা দিতে হবে: একইভাবে, জলাশয়ে মাছ ধরা জেলেরা ৫,০০০ টাকা মূল্যের জাল মাত্র ৫০০ টাকায় পেতে পারবেন। যেখানে রাজ্য সরকার ৪,৫০০ টাকার ভর্তুকি দেবে। এই উদ্যোগটির লক্ষ্য হল উন্নত মানের মাছ ধরার সরঞ্জাম সাশ্রয়ী করা। এর মাধ্যমে টেকসই মৎস্যচাষ পদ্ধতির প্রসার ঘটানো এবং রাজ্যজুড়ে নদী ও জলাধারগুলিতে মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি করা যাবে।
আরও পড়ুন: সচিন তেন্ডুলকর নন! এই কিংবদন্তিকে ক্রিকেটের GOAT হিসাবে বিবেচিত করলেন ব্রেট লি
জেলেদের অবশ্যই মৎস্য বিভাগ কর্তৃক ইস্যু করা বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে: এই প্রকল্পের অধীনে, ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার পদ্ধতির মাধ্যমে নদীতে মাছ ধরেন এমন ৪,০০০ সক্রিয় জেলেকে কাস্ট নেট জাল এবং জলাশয়ে মাছ ধরেন এমন ৩,০০০ জেলেকে গিল নেট দেওয়া হবে। যোগ্য সুবিধাভোগীদের অবশ্যই মৎস্য বিভাগ কর্তৃক ইস্যু করা কমপক্ষে পরপর ৩ বছরের জন্য বৈধ মাছ ধরার লাইসেন্স থাকতে হবে।













