বাংলাহান্ট ডেস্ক : জলদাপাড়া পর্যটনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ আকর্ষণ ছিল হলং বনবাংলো (Hollong Bungalow)। কিন্তু ২০২৪ সালে এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যায় জলদাপাড়ার এই ঐতিহ্যবাহী বাংলো। এই মর্মান্তিক খবরে শোরগোল পড়েছিল পর্যটকদের মধ্যে। কারণ রাজ্যবাসীর পাশাপাশি রাজ্যের বাইরের পর্যটকদের কাছেও এই বনবাংলো ছিল এক বিশেষ আকর্ষণ।
নতুন রূপে ফিরছে হলং বনবাংলো (Hollong Bungalow)
অবশেষে এই বনবাংলো নিয়ে এল বড় আপডেট। নতুন রূপে ফিরতে চলেছে এই ঐতিহ্যবাহী বনবাংলো। ভন দফতর সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, আর যাতে এমন অঘটন না ঘটে, আগুনের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য এবার অগ্নিরোধী প্রযুক্তি এবং উপকরণ ব্যবহার করে পুনর্নির্মাণ করা হবে এই বনবাংলোটি।

কী আপডেট এল: আগেকার বনবাংলোর কাঠের ঐতিহ্য বজায় রাখতে কাঠ এবং কংক্রিটের মিশেলেই গড়ে তোলা হবে নতুন বাংলো। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের মাঝে হলং বনবাংলোয় (Hollong Bungalow) থাকার জন্য পর্যটকদের চাহিদা থাকত দেখার মতো। তাই হলং বনবাংলোর ভস্মীভূত হওয়ার ঘটনায় শোকতপ্ত হন বহু পর্যটক। সকলেই চাইছিলেন, নতুন রূপে ফিরে আসুক এই বনবাংলো।
আরও পড়ুন: মটন বিরিয়ানি থেকে চিকেন চাপ, তিন বেলা এলাহি খাবারের আয়োজন ভোটকর্মীদের জন্য, ডাকা হল টেন্ডার
চলছে পুনর্নির্মাণের কাজ: জানা গিয়েছে, পুড়ে যাওয়ার আগের মতো নতুন বনবাংলোটিতেও আটটি ঘর থাকছে। তবে আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত অরণ্যের মধ্যে সরাসরি কংক্রিটের নির্মাণে বাধা রয়েছে। তাই কাঠের সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রেখেই বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহারে একটি নিরাপদ কাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে খবর।
আরও পড়ুন : দিনের এই নির্দিষ্ট সময়েই করা যাবে আবেদন, কী কী ডকুমেন্ট লাগবে যুব সাথীর জন্য?
বন দফতরের এক আধিকারিক জানান, পুনর্নির্মাণের সব প্রস্তুতিই প্রায় শেষের পথে। যে ঠিকাদার সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছে তাদের হাতে জমি হস্তান্তর সম্পূর্ণ বলেই খবর। বন দফতর সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেকোনো দিন এই প্রকল্পের শিলান্যাস করতে পারেন।













