বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নদিয়ার সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতিতে হল বড়সড় পালাবদল। তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকা এই পঞ্চায়েত সমিতি এবার চলে গেল বিজেপির (BJP) হাতে। তবে ক্ষমতা দখলের জন্য কোনও লড়াই করতে হয়নি বিজেপিকে। তৃণমূল ও কংগ্রেসের সদস্যরা সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচনে উপস্থিত না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই নতুন বোর্ড গঠন হল।
বিনা লড়াইয়ে বিজেপির (BJP) দখলে পঞ্চায়েত সমিতি
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির ২১টি আসনের মধ্যে ১২টি পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি (BJP) জিতেছিল ৮টি আসনে। একটি আসন গিয়েছিল কংগ্রেসের দখলে। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেছিল তৃণমূল। সভাপতি হয়েছিলেন তৃণমূলের কাকলি দাস। সহ-সভাপতি হন তৃণমূল নেতা অনুপ দাস।
এরপর রাজ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে কৃষ্ণগঞ্জেও বদল আসতে শুরু করে। তৃণমূলের বেশ কয়েকজন কর্মী ও সদস্য পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে যাতায়াত বন্ধ করে দেন। আবার কেউ কেউ নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ ঢাকতে পদ ছেড়েছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সভাপতি কাকলি দাস এবং সহ-সভাপতি অনুপ দাসও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।
আজ কৃষ্ণগঞ্জ বিডিও অফিসে নতুন সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। কৃষ্ণগঞ্জের বিডিওর উপস্থিতিতেই নির্বাচন হয়। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেসের কোনও সদস্য সেখানে আসেননি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির (BJP) মঞ্জু সরকার পঞ্চায়েত সমিতির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন। সহ-সভাপতি হয়েছেন বিজেপির গৌতম ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ ৭০০০ লোকের ‘গেরুয়া সন্মান যাত্রা’, বন্ধ যাদবপুর বিশ্ব-বিদ্যালয়ের ৪টি গেট, কোন পথে ট্রাফিক?
নির্বাচন ঘিরে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য বিডিও অফিসে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। বিজেপি (BJP) পঞ্চায়েত সমিতির দখল নেওয়ার খবর ছড়াতেই কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। কোথাও ঝুমুর নাচ, কোথাও তাসা পার্টি। গেরুয়া আবিরে রীতিমতো উৎসবের চেহারা নেয় কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাঙ্গণ।













