বাংলাহান্ট ডেস্ক : দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূলী শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের উচ্ছ্বাস পৌঁছেছে দিল্লিতেও। আর এবার এই রেশ ধরেই ভারতের রাষ্ট্রীয় সঙ্গীত ‘বন্দেমাতরম’ (Vande Mataram) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’র সমমর্যাদা ‘বন্দেমাতরম’কে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার।
জাতীয় সঙ্গীতের সমমর্যাদায় উন্নীত হল বন্দেমাতরম (Vande Mataram)
ন্যাশনাল অনার অ্যাক্ট অনুযায়ী, এতদিন জাতীয় পতাকা, সংবিধান এবং জাতীয় সঙ্গীতকে অবমাননা করলে আর্থিক জরিমানা সহ কারাবাসের আইনি নিয়ম ছিল। এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই আইনের সেকশন ৩ সংশোধন করে বন্দেমাতরমকেও সমমর্যাদায় উন্নীত করা হতে চলেছে।

অসম্মান করলে বড় শাস্তি: এর অর্থ, জাতীয় সঙ্গীতের মতোই এবার বন্দেমাতরম গাওয়ার ক্ষেত্রে কোনোরকম অনীহা বা অসম্মান প্রদর্শন করলে হতে পারে আর্থিক জরিমানা থেকে ৩ বছরের জেলও। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসেই একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছিল, বন্দে মাতরমের ৬ টি স্তবকই গাওয়া বাধ্যতামূলক।
আরও পড়ুন : ভোট মিটতেই মন উড়ুউড়ু? দুদিন ছুটি কাটিয়ে আসুন পশ্চিমবঙ্গের শেষ গ্রাম থেকে
আগেও জারি নির্দেশিকা: এবার বঙ্গ জয়ের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই বন্দেমাতরমকে (Vande Mataram) জাতীয় সঙ্গীতের সমমর্যাদায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বন্দেমাতরমের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে চলতি বছর জানুয়ারি মাসেই একটি নির্দেশিকা জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেখানে বলা হয়, সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে জাতীয় সঙ্গীত এবং বন্দেমাতরম দুটোই গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল।
আরও পড়ুন : মুরগির মাংসে মিশুক কাঁচা আমের স্বাদ, রইল আম মুরগির টক ঝাল রেসিপি
নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছিল, বন্দেমাতরম এবং জনগণমন যদি একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, সেক্ষেত্রে বন্দেমাতরম প্রথমে বাজানো হবে। এই সময় শ্রোতাদের উঠে দাঁড়াতে হবে। সেইসঙ্গে গানের ৬টি স্তবকই গাইতে হবে বলেও জানানো হয়েছিল নির্দেশিকায়।












