বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর থেকে ডিএ নিয়ে আশায় বুক বাঁধছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার (Dearness Allowance) দাবি নিয়ে বছরের পর বছর আন্দোলন করে আসছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। মঙ্গলবার সরকারি কর্মচারি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক হয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। সেখানে বকেয়া ডিএ নিয়ে ‘সুখবর’ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
ডিএ নিয়ে জট খোলার অপেক্ষায় সরকারি কর্মীরা | Dearness Allowance
বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে সপ্তম পে কমিশনের ঘোষণা হয়েছে। তবে তা লাগু হতে আরও কিছুটা সময়ের অপেক্ষা। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা সপ্তম পে কমিশনের আওতায় ৬০% হারে ডিএ পাচ্ছেন, আর রাজ্য সরকারি কর্মীরা মাত্র ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। ফারাক বেড়ে হয়েছে ৪২ শতাংশ। এই ব্যবধান কী ঘুচবে?
সোমবার এই সংক্রান্ত আলোচনার পর যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ জানান, আগামী ২২ তারিখ সুখবর পাবেন সরকারি কর্মীরা। তিনি বলেন, “আলোচনায় সন্তুষ্ট। বকেয়া ৪২ শতাংশ নিয়ে আমাদের প্রস্তাব দিয়েছি। চেয়েছি স্থায়ী আদেশনামা বের হোক। সেই আদেশনামাতে পরবর্তী ক্ষেত্রে যে যে ভাবে কেন্দ্র ঘোষণা করবে সেইটা দেওয়া হোক। আর ৪২ শতাংশ বকেয়া সেই টাকা ধাপে ধাপে মেটান।”
তিনি জানান, “মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ২২ জুন তারিখ যে বাজেট পেশ হবে সেই দিন কর্মচারিদের একটা ভাল সুখবর দেবেন। চিরকুটে ডিএ দেওয়ার মতো ডিএ নয়। সমস্তটাই যাতে কর্মচারিদের সম্মান রেখে দেওয়া যায় সেই মতো ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।”

আরও পড়ুন: না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, না যুবশক্তি, এই সরকারি প্রকল্পে মিলবে ২০০০ টাকা! কারা আবেদন করবেন?
ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপি তরফে জানানো হয়েছিল, তারা সরকার গড়লে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারী নিজে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বহুবার। তাহলে কী সত্যিই এবার কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পেতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামী ২২ জুন।













