দশ দিন সময়… বসে থাকলে হবে না! অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

Published on:

Published on:

Suvendu Adhikari makes big announcement about government hospitals
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সরকারি অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)। দেখতে দেখতে দুমাস পেরিয়ে গিয়েছে কিন্তু এখনও অনেকেই টাকা পাননি। এমনকি ফর্ম ফিলাপ করার পর থেকে পেন্ডিংই দেখাচ্ছে। এবার এই সরকারি অনুদান নিয়েই বিরাট নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।

অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ডেডলাইন ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

আর কিছুদিন পরেই মাস শেষ হবে ও নতুন করে যোগ্যদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকতে শুরু করবে বলে জানা যাচ্ছে। একেবারে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে শনিবার রাজ্যের বিধায়কদের তিনি বলেছেন আগামী দশ দিনের মধ্যেই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগীদের তালিকা থেকে যোগ্য-অযোগ্যদের বাছাই করে ফেলতে হবে।

শনিবার বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক থেকে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘যোজনা নিয়ে আগেই অনেক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীরাও বিতর্ক তৈরী করার চেষ্টা করেছে। অন্নপূর্ণা যোজনায় এখনও এমন কিছু নাম রয়েছে, যারা এই প্রকল্পের মধ্যে পড়েন না। এমন অনেকে আছেন যাঁদের পারিবারিক আয় এক লক্ষ টাকার বেশী। আবার বহু যোগ্য সুবিধাভোগীদের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ আমফান ত্রাণে কোটি কোটি টাকার গড়মিল! CAG Report প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য বিধানসভায়

বিধায়কদেরও গ্রাউন্ড লেভেলে কাজের নির্দেশ শুভেন্দু অধিকারীর

এরপরেই রাজ্যের বিধায়কদের বাড়তি দায়িত্ব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেছেন এবার থেকে শুধু আধিকারিকদের ওপর ভরসা করা যাবে না। তাই এই সুবিধাভোগীদের তালিকা সংযোজন কিংবা বিয়োজনের দায়িত্ব নিতে হবে খোদ বিধায়কদের। বিধায়কদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন, শুধুমাত্র প্রশাসনিক আধিকারিক বা আমলাদের উপর ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না। গ্রাউন্ড লেভেলে এসে সমীক্ষা করতে হবে, যাতে সঠিক উপভোক্তারা প্রকল্পের সুবিধা পায়।

প্রসঙ্গত বর্তমানে এই সরকারি প্রকল্পের আওতায় মাসিক তিন হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন বাংলার মহিলারা। এবার এই সমাজ কল্যাণ প্রকল্প নিয়েই উঠতে শুরু করেছে অভিযোগ। বিধায়কদের দাবী এই সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিচ্ছে রাজ্যের বিরোধী শিবির। তাই আগামীদিনে কোনো যোগ্য যেন বঞ্চিত না থাকে তার জন্যই এই কড়াকড়ি মনে করা হচ্ছে।