মদের দোকান নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, মন্দির-স্কুলের কাছে মিলবে না অনুমতি

Published on:

Published on:

CM Suvendu Adhikari's big announcement regarding liquor shops
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক বৈঠকগুলিকে হাতিয়ার করেই একের পর এক জনমুখী সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠক থেকেও একাধিক বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থানের আশপাশে মদের দোকান বন্ধ থেকে শুরু করে মহিলাদের আর্থিক সহায়তা, স্বল্পমূল্যে খাবারের ক্যান্টিন- একাধিক প্রকল্পের কথা তুলে ধরলেন তিনি।

কী ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)?

প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “স্কুল, কলেজ ও মন্দিরের এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনও মদের দোকানকে অনুমতি দেওয়া হবে না। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করা হবে।” প্রশাসনের মতে, শিক্ষা ও ধর্মীয় পরিবেশকে আরও সুরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিনের ঘোষণাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২৭ মে থেকেই নবান্ন থেকে এই প্রকল্পের আবেদনপত্র বিতরণ শুরু হবে।‌এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম কাল থেকেই দেওয়া হবে। সমস্ত ভারতীয় নাগরিক এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।” এই প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য কম খরচে খাবারের ব্যবস্থাও করতে চলেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৪০০টি বিশেষ ক্যান্টিন তৈরি করা হবে। সেখানে মাত্র পাঁচ টাকায় মাছ-ভাত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

CM Suvendu Adhikari's big announcement regarding liquor shops

 

আরও পড়ুন : বকরি ইদ উপলক্ষে ব্যাঙ্ক ছুটি কবে? শহরভিত্তিক সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে

স্বাস্থ্য পরিষেবাতেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য দফতরের অধীনে থাকা আয়ুষ পরিষেবাকে আলাদা করে একটি স্বতন্ত্র দফতর গঠন করা হবে। আয়ুর্বেদ, এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও বিস্তৃত ও উন্নত করতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি সরকারের। কল্যাণীর প্রশাসনিক বৈঠক থেকে একসঙ্গে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও নীতিগত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই ঘোষণাগুলি কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।