বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন বিধায়ক ও গায়ক- ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) একাধিক পরিচয় রয়েছে। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই সরব দুই গায়িকা। মঙ্গলবার ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হন গায়িকা দোলা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় (Riddhi Bandyopadhyay)।
ইন্দ্রনীলের (Indranil Sen) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ঋদ্ধিদের
কয়েকদিন আগেই চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছিলেন দুই শিল্পী। এবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে সল্টলেকে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত জনতার দরবারে উপস্থিত হন দোলা ও ঋদ্ধি। এখানে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ঋদ্ধি এদিন বলেন, “ইন্দ্রনীল সেনের সিন্ডিকেট রাজ চলত। সিনিয়র, জুনিয়র থেকে মাঝবয়সী শিল্পীদের নিয়ে মূলত নেক্সাস চলত। আমাদের কাছে তথ্য, বিল আছে। সরকারি আধিকারিকরাও এর মধ্যে যুক্ত ছিলেন। আমরা ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে যেহেতু সরব হয়েছিলাম, সেই কারণে আমাদের মধ্যে কেউ ১২, কেউ ১৮ বছর ধরে ব্যান ছিলাম”।
আরও পড়ুনঃ “অরূপ বিশ্বাস কাজ করতে দিত না, সুজিত বসু…”! এবার বিস্ফোরক মমতার ভাই
এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, তাঁদের কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। শুধু চান, কাটমানি-লবি সংস্কৃতি যেন বন্ধ হয়। সঙ্গীত জগতে কীভাবে কাটমানি নেওয়া হত সেটাও জানান গায়িকা।
ঋদ্ধির কথায়, “ধরুন কোনও একজন জুনিয়র শিল্পীকে ৭টি অনুষ্ঠান দেওয়া হচ্ছে। সরকারি অনুষ্ঠান ছাড়া তাঁরা অন্য কোথাও কাজ পায় না…এবার ওই শিল্পীরা ৭টি অথবা ১০টি অনুষ্ঠানের পারিশ্রমিক পেলেন। সেখান থেকে কিছুটা ব্যাক করে দিতেন। সকাল থেকে তাঁরা যাকে ‘হুজুর হুজুর’ বলে ফোন করত, টাকা দিত, উপহার দিত, সঙ্গ দিত, সময় দিত…। কিছু কিছু শিল্পী সরকারের সঙ্গে সেটিং করে কাজ পেয়েছেন”।

এদিকে প্রাক্তন বিধায়ক তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুই গায়িকার দাবিতে রাজ্য রাজনীতির দুনিয়ায় কার্যত শোরগোল পড়ে গিয়েছে।














