বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়ের পরও ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের (Deleted Voters) সমস্যা কাটল না। ট্রাইবুনালে আবেদন ও শুনানি নিয়ে স্পষ্ট কোনও নিয়ম সামনে না আসায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে। শুক্রবার জোকায় ট্রাইবুনাল দপ্তরে গিয়ে বহু মানুষ ঢুকতেই না পেরে ফিরে যান, যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে পুরো প্রক্রিয়া নিয়েই।
ডিলিটেড ভোটারদের (Deleted Voters) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায়
সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার বিচারাধীন ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের (Deleted Voters) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দেয়। এতে অনেকেই ভেবেছিলেন, এবার সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু বাস্তবে সেই ছবি এখনও দেখা যাচ্ছে না। শুক্রবার পর্যন্ত ট্রাইবুনালে কীভাবে আবেদনগুলির নিষ্পত্তি হবে, সেই নিয়ম বা নির্দেশিকা প্রকাশ হয়নি। ঠিক কতজনের আবেদন মিটেছে, তাও স্পষ্ট নয়।
এদিন সকাল থেকেই জোকায় ট্রাইবুনাল দপ্তরের সামনে ভিড় জমে। বহু মানুষ নিজেদের নাম ফেরানোর আশায় সেখানে পৌঁছান। কিন্তু কাউকেই ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি আইনজীবীরাও ঢুকতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। বহরমপুর থেকে কোয়েল ঠাকুর, অজয় পালের মতো অনেকেই আশা নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু শেষে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয়। তাঁদের আবেদন আদৌ শোনা হবে কি না, তা নিয়েও কোনও নিশ্চয়তা নেই।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ট্রাইবুনালের কাজকর্ম নির্বাচন কমিশনের আওতায় পড়ে না। তাই কতজনের আবেদন মিটেছে, সেই তথ্য কমিশনের কাছেও নেই। সুপ্রিম কোর্ট এই তথ্য জানতে চাইলেও, এখনও কোনও ড্যাশবোর্ড তৈরি হয়নি বলে তিনি জানান। পাশাপাশি ট্রাইবুনালের কাজের নিয়ম নিয়েও কোনও তথ্য কমিশনের কাছে আসেনি।
কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজারের বেশি নাম বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাইবুনালে আবেদন পড়েছে প্রায় ৩৪ লক্ষ ৩৫ হাজার। অর্থাৎ তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ছাড়াও আরও অনেকে আবেদন করেছেন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন নতুন কড়াকড়ি! বুথের ১০০ মিটার ঘিরে সাদা দাগ টানবে কমিশন, কেন?
এই অবস্থায় ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতি এত বিপুল সংখ্যক আবেদন (Deleted Voters) কত দ্রুত মেটাতে পারবেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে, দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানিয়েছেন, ট্রাইবুনাল আইন মেনেই সিদ্ধান্ত নেবে।
















