বাংলাহান্ট ডেস্ক: আজ খুশির ঈদ। দেশের বিভিন্ন জায়গার মতো কলকাতার (Kolkata) রেড রোডেও ধুমধাম করে পালিত হচ্ছে এই উৎসব। তবে ঈদের নামাজকে ঘিরে রেড রোডে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। বিজেপি নেতা প্রীতম দত্ত নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানের নামাজ পড়ার পর হঠাৎই সেখানে উপস্থিত কিছু অংশগ্রহণকারী ভারতের জাতীয় পতাকার পরিবর্তে প্যালেস্তাইনের পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে পড়েন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই এই নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
কলকাতায় (Kolkata) ঈদের নামাজে প্যালেস্তাইনের পতাকা ঘিরে বিতর্ক
বিজেপি নেতা প্রীতম দত্ত নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ভিডিওটি পোস্ট করে তীব্র সমালোচনা করেন। ওই পোস্টে তিনি দাবি করেন, জাতীয় উৎসবের দিনে দেশের পতাকার পরিবর্তে অন্য দেশের পতাকা প্রদর্শন করা একটি নির্দিষ্ট মানসিকতার প্রতিফলন। তিনি এই প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকেও তুলোধনা করেন এবং বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: টিফিন ডেলিভারি বয় থেকে হয়েছেন IPS অফিসার! কঠোর পরিশ্রমে UPSC-তে বাজিমাত বাপুসাহেবের
তবে এই ঘটনার সত্যতা এবং প্রেক্ষাপট নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনওরকম আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে আসেনি। প্রশাসনের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও স্পষ্ট করে এখনও কিছু জানানো হয়নি। ফলে ভিডিওটির প্রামাণিকতা এবং ঘটনাস্থলের নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
View this post on Instagram
বিভিন্ন মহলের দাবি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা জনসমাগমের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তা স্বাভাবিকভাবেই সহজে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশেষ করে এই মুহুর্তে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আবেগ অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় ঘটনাতেও প্রতিফলিত হতে পারে। তবে জাতীয় প্রতীক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মত তাঁদের।

আরও পড়ুন: টাকা না পেয়ে দুশ্চিন্তা? যুবসাথীর ১৫০০ টাকা না এলে কী করবেন জানেন
তবে কলকাতায় (Kolkata) এরকম অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে এরকম একটি ঘটনার জেরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। একদিকে যেখানে বিরোধীরা বিষয়টি নিয়ে সরব, অন্যদিকে শাসক শিবিরের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও স্পষ্ট ব্যাখ্যার দিকেই এখন নজর রাখছে সাধারণ মানুষ।












