উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর বাড়ি ফিরলেন রাইফেল শুটার দময়ন্তী! কোথায় ছিলেন তিনি?

Published on:

Published on:

Damayanti Sen returns home after 48 hours, ending all worries.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে সমস্ত উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে বাড়ি ফিরলেন জাতীয় স্তরের রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন (Damayanti Sen)। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা নাগাদ দময়ন্তী তাঁর বাড়ি থেকে দুধ কিনতে বেরিয়েছিলেন। তারপরে তিনি বাড়িতে ফেরেননি। এমতাবস্থায়, চিন্তিত হয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি (Police) করেন তাঁর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন। জাতীয় স্তরের রাইফেল শুটার (National Rifle Shooter) দময়ন্তীর এইভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায়।

বাড়ি ফিরলেন রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন (Damayanti Sen):

এদিকে, গত শুক্রবার হাওড়ার উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনে দময়ন্তীর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। যেখানে দময়ন্তীকে খোঁজার ব্যাপারে সব ধরণের চেষ্টার আশ্বাস দেন তিনি। অবশেষে শনিবার ভোরে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর লঞ্চ ঘাটের কাছে দময়ন্তীকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তারপরই স্থানীয়রা তাঁর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেনকে খবর দেন এবং তিনি তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে, প্রায় ২ দিন ধরে দময়ন্তী কোথায় ছিলেন সেই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি পরিবারের তরফে।

Damayanti Sen returns home after 48 hours, ending all worries.
জাতীয় স্তরের রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা নাগাদ যখন দময়ন্তী দুধ কিনতে বেরিয়েছিলেন, সেই সময়ে তাঁর কাছে মোবাইল বা টাকাপয়সা ছিল না। তাঁর সকাল ১০ টার মধ্যে বাবার সঙ্গে অনুশীলনে যাওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘসময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তারপরেই থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

আরও পড়ুন: Airtel-এর গ্রাহকদের জন্য বড় খবর! বন্ধ হল এই জনপ্রিয় রিচার্জ প্ল্যান, এবার করতে হবে কত খরচ?

জানিয়ে রাখি যে, দময়ন্তীর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নেটমাধ্যমেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন নেটিজেনরা। এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে হাওড়া এবং শ্রীরামপুর স্টেশনে দেখা যায়। শুক্রবার সকালে শ্রীরামপুরে মাহেশের রথের মেলায় দেখা যায় দময়ন্তীকে। নেটমাধ্যমে এই তথ্য ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। দময়ন্তীর বাবা অভিযোগ করেন যে রেল কর্তৃপক্ষ স্টেশন থেকে কোনও সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে না দেওয়ায় দময়ন্তীর সন্ধানের ক্ষেত্রে সময় লাগছে। তবে, রেল পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে।

আরও পড়ুন: সমগ্র বিশ্ব তাকিয়ে ভারতের দিকে! এই প্রথম ৪০ টিরও বেশি দেশের সঙ্গে মেগা মহড়া ভারতীয় নৌবাহিনীর

উল্লেখ্য যে, দময়ন্তীকে খোঁজার জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ চারটি দল গঠন করে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ওই দলগুলি ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি দময়ন্তী সম্ভাব্য কোথায় কোথায় যেতে পারেন সেই বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেইসব জায়গায় পৌঁছে যায় পুলিশ। তবে, শনিবার ভোরেই সমস্ত উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে দময়ন্তী নিজেই ফিরে আসেন বাড়িতে।