বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে রাজ্যে বেআইনি টাকা ও অস্ত্রের খোঁজে নজরদারি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। সেই আবহেই কলকাতার একাধিক জায়গায় হানা দিয়ে বিপুল নগদ টাকা, সোনা ও অস্ত্র উদ্ধার করল তদন্তকারী সংস্থা। কাঁকুলিয়া কাণ্ডে নাম জড়ানো সোনা পাপ্পুকে ঘিরেই এই তল্লাশি, যা নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
১০ জায়গায় একযোগে তদন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Enforcement Directorate)
ভোটের ঠিক আগে বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায় ইডি (Enforcement Directorate)। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বালিগঞ্জের ফার্ম রোডে ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়ি সহ মোট ১০টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। এই তল্লাশির তালিকায় ছিল পিকনিক গার্ডেনে তাদের পারিবারিক সোনার দোকান, কাঁকুলিয়া রোডে সহযোগী রাহুল দাসের বাড়ি, বালিগঞ্জে সান এন্টারপ্রাইজের অফিস এবং বেহালায় সেই সংস্থার এমডি জয় এস কামদারের বাড়িও।
ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অভিযান থেকে মোট প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। বিশেষ করে বেহালায় সান এন্টারপ্রাইজের এমডির বাড়ি থেকেই বড় অঙ্কের টাকা মিলেছে বলে খবর। শুধু নগদই নয়, সোনা পাপ্পুর পিকনিক গার্ডেনের দোকান থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার সোনাও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার ফার্ম রোডের বাড়ির গ্যারেজ থেকে অন্যের নামে থাকা একটি দামি গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশি পিস্তলও উদ্ধার করেছে ইডি।
এছাড়াও, প্রায় ১ হাজার পাতার নথি উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তার মধ্যে প্রায় ৩০০ পাতার নথি সোনা পাপ্পুর সম্পত্তি সংক্রান্ত, যা তার বাড়ি থেকে মিলেছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে বা অন্যের নামে একাধিক সম্পত্তির দলিল রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বকেয়া DA মেটাতে বড় পদক্ষেপ! দ্রুত তথ্য জমার নির্দেশ, তৎপর রাজ্য সরকার
উল্লেখ্য, দু’মাস আগে কাঁকুলিয়া কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত হিসেবে সোনা পাপ্পুর নাম সামনে আসে। তবে সেই সময় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এবার আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরে সান এন্টারপ্রাইজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখার পরই তার সঙ্গে যোগসূত্রের হদিস পায় ইডি। এই ঘটনার পর সোনা পাপ্পুকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।












