ভারতের EV ভবিষ্যতের দিকে বড় পদক্ষেপ, লিথিয়াম-আয়ন প্ল্যান্টে ১,৪০০ কোটি ঢালছে Exide

Published on:

Published on:

Exide Industries to invest Rs 1400 Crores for EV Lithium ion Cells in Phase 1
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার বড়সড় লগ্নির পথে এক্সাইড। স্টোরেজ ব্যাটারি প্রস্তুতকারক সংস্থা এক্সাইড ইন্ডাস্ট্রিজের (Exide Industries) ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও অভিক রায় ঘোষণা করেছেন চলতি অর্থবর্ষে তারা বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত তাদের লিথিয়াম-আয়ন সেল (Lithium ion Cells) উৎপাদন কারখানায় আরও ১,৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছেন। যার ফলে একধাক্কায় তাদের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ গিয়ে পৌঁছবে ৬,০০০ কোটি টাকায়।

চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিক থেকেই বেঙ্গালুরুর প্ল্যান্টটি রাজস্ব আয় করা শুরু করবে বলে আশাবাদী কোম্পানির সিইও। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে, তিন চাকা গাড়ির জন্য ব্যবহৃত গুজরাট ব্যাটারি প্যাক প্ল্যান্টের জন্য আমদানি করা লিথিয়াম আয়রন ফসফেট সেল প্রতিস্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে চলতি অর্থবর্ষের শেষের দিকে, নির্দিষ্ট কিছু দুই চাকার গাড়ির ব্যাটারি প্যাক অ্যাপ্লিকেশন এবং ওইএম-দের জন্য এনএমসি সেল সরবরাহ করার ব্যাপারেও আশা রাখছেন তাঁরা।

এক্সাইড গ্রুপের সিইও লিথিয়াম-আয়ন উদ্যোগটিকে একটি কৌশলগত রূপান্তর হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং একইসাথে তিনি উল্লেখ করেছেন যে এক্সাইড তার প্রচলিত লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি ব্যবসায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে। জানা যাচ্ছে, এই অর্থবর্ষে সেই খাতে ৪০০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী দুই বছরে অর্থ্যাৎ ২০২৮ সালের মধ্যে এক্সাইড ইন্ডাস্ট্রিজের টার্গেট রয়েছে মূল লিড-অ্যাসিড ব্যবসা থেকে কোম্পানির ২০,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করা হবে।

আরও পড়ুনঃ মিলেছে রাজ্যপালের অনুমোদন, সোম থেকেই বাংলা চালু ‘গুন্ডা দমন আইন’, সুখবর দিলেন শুভেন্দু 

প্রসঙ্গত আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের জন্যও এই কোম্পানির অবস্থান বেশ ইতিবাচক হতে চলেছে। সবচেয়ে উল্লেখোগ্য বিষয় হল এই রাজ্যের বাজারটি এক্সাইডের মোট ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রায় ৫০% অবদান রাখে। তাছাড়া দীর্ঘদিন পর বন্ধ হয়ে থাকা জুটমিলগুলিও চালু করানোর ব্যবস্থা করেছেন বিজেপির বিধায়করা।

বর্তমানে দেশের ক্রমবর্ধমান বৈদ্যুতিক যানবাহনের বাজার থাকলেও, ভারতের অভ্যন্তরীণ লিথিয়াম-আয়ন সেলের চাহিদা প্রায় পুরোটাই আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। সিইও-র দাবী বর্তমানে অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২০ গিগাওয়াট-ঘণ্টা যা ২০৩০ সালের মধ্যে বেড়ে ১৩০ গিগাওয়াট-ঘণ্টায় পৌঁছবে।