অগাস্ট মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা কারা পাবেন? এই সকল মহিলাদের জন্য আসতে পারে সুখবর

Published on:

Published on:

annapurna yojana(47)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: জুন মাসের পর জুলাই মাসেও অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা রাজ্যের মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে। তবে সকল ‘যোগ্যরা’ টাকা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। ফর্ম পূরণ করেও অনেক যোগ্য উপভোক্তা সরকারি এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত বলে অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য আশ্বাস দিয়েছেন, একজন যোগ্যও বঞ্চিত হবেন না।

অন্নপূর্ণা যোজনায় চলছে ভেরিফিকেশন | Annapurna Yojana

অন্নপূর্ণা যোজনায় এখনও টাকা পেতে বাকি রয়েছেন অনেক মহিলাই। ফর্ম ফিলআপ চলছে। ‘যোগ্য’ বঞ্চিত আবেদনকারীদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই বা ভেরিফিকেশনের কাজ শুরু করেছে সরকার। অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করেও যাঁদের অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি ৩০০০ টাকা, বা যাঁদের স্ট্যাটাস ‘Under Enquiry’ বা ‘Payment Pending’ দেখাচ্ছে সেইসব আবেদনকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করা হচ্ছে যাতে কোনো যোগ্য উপভোক্তা বঞ্চিত না হন।

কিন্তু অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা আদৌ ঢুকবে কি না, তা ভেবেই কপালে চিন্তার ভাঁজ মহিলাদের একাংশের। জানা গিয়েছে ফর্ম ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া আগামী ৩০.০৮.২৬, অর্থাৎ ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। যত দ্রুত সম্ভব গোটা প্রক্রিয়া শেষ করে ‘যোগ্যদের’ চিহ্নিত করে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু করে দেওয়া হবে। অযোগ্যরা বাতিল হবেন।

অনেকেই আছেন যাঁরা আবেদনপত্রে ভুল তথ্য বা ত্রুটির কারণে যাঁদের আবেদন বাতিল হয়েছে বা যাচাই প্রক্রিয়ায় আটকে রয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, কোনোভাবে সেই ভুল শুধরে কি টাকা পাওয়া সম্ভব? এরই মধ্যে সূত্রের খবর, ফর্ম ফিল আপের সময় হওয়া ভুলের ক্ষেত্রে খুব শীঘ্রই অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টালে একটি নতুন ‘Edit’ অপশন চালু করতে পারে সরকার। সেক্ষেত্রে আবেদনকারীরা সহজেই নিজেদের আবেদনপত্রে থাকা ভুল সংশোধন করে পুনরায় ভেরিফিকেশনের জন্য দিতে পারেন।

annapurna yojana(42)

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনা টাকা পাননি ? ফের আবেদনকারীদের তথ্য খতিয়ে দেখছে প্রশাসন

আগে সরকারের জানিয়েছিল, প্রায় ২৮ লক্ষের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। তবে পরে ফের যাচাই করছে সরকার। রাজ্য তরফে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হচ্ছে ভেরিফিকেশন। অনেকেরই আবেদনের স্ট্যাটাস এখন ‘রিজেক্টেড’ থেকে ‘আন্ডার এনকোয়ারি’। যাচাইয়ের পর তাঁদের মধ্যে বড় সংখ্যায় আবেদনকারী প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।