বাংলা হান্ট ডেস্ক: শুধুই শিক্ষা কিংবা স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নয় এবার জোর দেওয়া হচ্ছে রাজ্যের ক্রীড়া বিভাগের দিকেও। জাতীয় স্তরের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরেও বাংলার মুখ উজ্জ্বল করতে এবার একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবার বাংলার ক্রীড়াবিদদের জন্য একাধিক পুরস্কার (Reward) ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।
ক্রীড়াবিদদের নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দু সরকারের
রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার ফলস্বরূপ আগামীদিনে রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদরাও সরকারি ভাতা পেতে চলেছেন। এছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদকজয়ী বাংলার ক্রীড়াবিদরা পাবেন মোটা টাকার পুরস্কার ।
এখানেই শেষ নয় জানা যাচ্ছে, ‘শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি ক্রীড়া সহায়তা প্রকল্প’-এর আওতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, কিংবা চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন অথবা রাজ্য ও জেলা ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাংলার ক্রীড়াবিদদের জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে।
আরও পড়ুনঃ দেড় কোটি অন্নপূর্ণা ভান্ডার থেকে আয়ুষ্মান, বিজেপি সরকরের ১০০ দিনের দৃষ্টান্ত জানালেন লকেট
অন্যদিকে খেলাধুলার প্রতি নতুন আগ্রহ বাড়াতে রাজ্যের ক্রীড়াবিদদের জন্য ‘অটল খেল সম্মান পুরস্কার’ কথাও ভাবা হচ্ছে। যাঁরা মূলত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সিনিয়র, জুনিয়র, সাব-জুনিয়র কিংবা দিব্যাঙ্গ বিভাগে সাফল্য লাভ করেছেন তাঁরা এই পুরস্কার পাবেন।
অলিম্পিক জিতলে ১কোটি টাকারও বেশি পুরস্কার
জানা যাচ্ছে, সাফল্যের ভিত্তিতে অর্থাৎ অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী ক্রীড়াবিদদের ১ কোটি টাকা, রুপোজয়ী দের ৭৫ লক্ষ টাকা এবং ব্রোঞ্জ লাভ করলে তাঁদের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পুরস্কারের দেওয়া হবে। অন্যদিকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যে সমস্ত সফল ক্রীড়াবিদরা সোনা জিতবেন তাঁদের জন্য বরাদ্দ করা ৫০ লক্ষ টাকা, আর রুপো জয়ীরা পাবেন ৩৭.৫০ লক্ষ টাকা এবং ব্রোঞ্জ লাভ করলে তাঁদের দেওয়া হবে ২৫ লক্ষ টাকার পুরষ্কার।
জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অন্তত ১২টি রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। এক্ষেত্রে দলগত খেলায় সর্বোচ্চ ৪০ লক্ষ এবং ব্যক্তিগত খেলায় ২০ লক্ষ টাকা সহায়তা করা হতে পারে। অন্যদিকে আঞ্চলিক বা জোনাল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও একই শর্তে দলগত খেলায় সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ এবং ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য করা হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টে খারিজ মসজিদের মাইক খোলার মামলা! কি প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের?
পাশপাশি রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়ে বলা হয়েছে, এক্ষত্রে দলগত খেলায় সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ এবং ব্যক্তিগত খেলায় ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে অন্তত ১৫টি জেলা অথবা ৫টি ডিভিশনের অংশগ্রহণ থাকা আবশ্যক। জেলা চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনেও দলগত খেলায় সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা, ব্যক্তিগত খেলায় ৫ লক্ষ টাকা অর্থ দেওয়া হতে পারে। জেলা চ্যাম্পিয়নশিপে অন্তত ৬টি দলের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।













