বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটমুখী রাজ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmir Bhandar) ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে রাজ্য সরকার। একধাক্কায় ৫০০ টাকা বেড়েছে ভাতা। সাথে নথিপত্র এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে কড়া নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে রাজ্যের তরফে। নথিতে ভুল থাকলে সমস্যায় পড়তে পারেন উপভোক্তারা।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট | Lakshmir Bhandar
এত দিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে যে ১০০০ বা ১২০০ টাকা দেওয়া হত, তা বাড়িয়ে ১৫০০ থেকে ১৭০০ করা হয়েছে। বাজেটে মাসিক ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, রাজ্যের ২৫ থেকে ৬০ বছর বসয়ী মহিলারা পান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এই প্রকল্পের আওতায় তপশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের মহিলারা মাসে ১৭০০ এবং সাধারণ সম্প্রদায় অর্থাৎ জেনারেল ক্যাটাগরির মহিলারা ১৫০০ টাকা করে পাবেন এবার থেকে।
তবে মাসে মাসে মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতে গেলে বেশ কিছু শর্তপূরণ করতে হবে। এই ভাতা পাওয়ার জন্য অবশ্যই আবেদনকারীর নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। কোনওভাবেই জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট থাকলে এই টাকা পাঠানো হবে না। এটিই ভাতার টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত।
পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড এবং মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক এ ক্ষেত্রে। আপনিও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করলে আধার কার্ডের সঙ্গে প্যান (PAN) কার্ডের সংযোগ অবশ্যই করে রাখবেন।

আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গে গরম শুরু, এ সপ্তাহেই ৩০ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাবে তাপমাত্রা? হাওয়া অফিস দিল আপডেট
আবেদনের ক্ষেত্রে আধার কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড এবং যদি কাস্ট সার্টিফিকেট থাকে তার ডিজিটাল সার্টিফিকেট সঠিকভাবে জমা দিতে হবে। তাহলেই অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের মহিলাদের জন্য ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প এনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর থেকে রাজ্যের সামাজিক প্রকল্পগুলির মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। রাজ্যের ২৫ থেকে ৬০ বছর বসয়ী মহিলারা পান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার।












