বাংলাহান্ট ডেস্ক: পুজোর বাকি আর মাত্র একমাস। তবে বহু প্রতীক্ষিত বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) এখনও অধরা গ্রান্ট ইন কর্মীদের। সরকারি কর্মীরা বকেয়ার অংশ পেলেও পোষিতরা কেন বঞ্চিত, এই নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছেন সরকারি কর্মচারীরা। আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আদালতে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলাও।
গ্রান্ট ইন এড-দের বকেয়া নিয়ে ফের মামলা | Dearness Allowance
পঞ্চম পে কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (২০০৮-২০১৯) কবে মিলবে? এই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা। আগেই মামলা দায়ের করেছে। এর আগে অল বেঙ্গল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন বা এবিটিএ-র দায়ের করা একটি মামলায় সরকারপোষিত শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীদের ডিএ ইস্যুতে রাজ্যকে অবস্থান স্পষ্ট করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
আবার সম্প্রতি ‘গ্রান্ট ইন এড’ কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ আদায়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতিও। অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা গঠিত মনিটরিং কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দিতে পদক্ষেপ করেছে রাজ্য। সরকারি কর্মচারীদের বকেয়ার বেশ কিছুটা অংশ মিটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ‘গ্রান্ট ইন এড’–এর কর্মচারীদের নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি এখনও।
মামলাকারীদের দাবি, রাজ্য সরকারের আইনজীবী যখন সুপ্রিম কোর্টে হিসেব পেশ করেছিলেন, তখন সরকারি কর্মচারী এবং ‘গ্রান্ট ইন এড’ এই দুই ক্ষেত্রেরই কর্মী সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছিল। সমস্ত কর্মী মিলিয়েই হিসেব করে ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছিল। তাহলে এখনও কেন তাদের ডিএ নিয়ে পদক্ষেপ করা হচ্ছে না সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

মামলা প্রসঙ্গে ডব্লিউবিএইচএ–র সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণাংশু মিশ্র বলেন, ‘রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা তাঁদের প্রাপ্যের কিছু অংশ পেলেও গ্রান্ট ইন এড–র শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা এ ব্যাপারে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে।’ মালহোত্রা কমিটি সরকারি কর্মীদের মতোই গ্রান্ট ইন এড কর্মীদেরও বকেয়া মেটানোর বিষয়ে যাতে রাজ্যকে পদ্ধতি ও সময়সীমা চূড়ান্তের নির্দেশ দেওয়া হয় সেই দাবি তুলেছেন কৃষ্ণাংশুবাবু।














