বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) জন্য ফের কড়া নির্দেশিকা সামনে আনল রাজ্য প্রশাসন। দায়িত্ব পালনের সময় আচরণ, শৃঙ্খলা এবং কর্তব্যনিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরিষেবা থেকে স্থায়ী ভাবে বাদ পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) কী দায়িত্ব ?
রাজ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়ে। সরকার পরিবর্তনের পরেও এই কর্মীদের কাজ বন্ধ হয়নি। কলকাতা পুলিশের বিভিন্ন দায়িত্বে তাঁরা এখনও সহায়ক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তবে তাঁদের কাজের ধরন এবং আচরণ নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই নির্ধারিত বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুযায়ী, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার দুর্নীতি বা তোলাবাজির সঙ্গে জড়াতে পারবেন না। কোনও ফৌজদারি মামলায় যুক্ত হওয়াও নিয়মবহির্ভূত বলে ধরা হবে। পুলিশের দেওয়া দায়িত্বে অবহেলা কিংবা কর্তব্য পালনে গাফিলতির ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। ছুটির ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট বিধি। যথেষ্ট কারণ ছাড়া দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা যাবে না। প্রয়োজন হলে আগে থেকেই কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
উল্লেখ্য, সিভিক ভলান্টিয়ারদের একাংশকে ঘিরে অতীতে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও বেআইনি ভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে, কোথাও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। আবার মদ্যপ অবস্থায় গোলমাল তৈরির মতো ঘটনাতেও কয়েকজনের নাম জড়িয়েছে।

আরও পড়ুন :উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত, স্টপেজ বাড়ল কৃষ্ণনগর-শিয়ালদা মাতৃভূমি লোকালের
পাশাপাশি, আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় এই কর্মীদের ভূমিকা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য, পুলিশের সহায়ক হিসেবে কাজ করা প্রত্যেকের কাছ থেকেই নির্দিষ্ট দায়িত্ববোধ এবং শৃঙ্খলা প্রত্যাশিত। তাই নিয়ম ভাঙার ঘটনা সামনে এলে পরিস্থিতি অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।














