বাংলাহান্ট ডেস্ক : দাম যতই বাড়ুক, ভারতীয়দের কাছে সোনার জনপ্রিয়তা কমবে না। বিয়ে, অন্নপ্রাশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে সোনা। এখন বেশিরভাগ মানুষই নিজের বাড়ির আলমারিতে সোনা রাখার ঝুঁকি না নিয়ে, রাখেন ব্যাঙ্কের লকারে (Gold in Locker)। বেশি সোনার গয়না থাকলে তেমনটাই করা উচিত। নিরাপত্তার দিক থেকে সেটাই সবথেকে ভালো বলে মনে করা হয়।
বাড়িতে সোনা (Gold in Locker) রাখার কী নিয়ম?
জানিয়ে রাখি, বাড়িতে সোনা রাখার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আছে সরকারের। বাড়িতে সোনা রাখার সর্বোচ্চ সীমা রয়েছে, যা পেরোলে হতে পারে আইনি সমস্যা। আয়কর দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী বিবাহিত মহিলারা ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত, অবিবাহিত মহিলারা ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত এবং পুরুষরা ১০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনা রাখতে পারেন নিজের কাছে। তবে অতিরিক্ত সোনা কেনার বৈধ নথি বা আয়ের উৎসের সঠিক প্রমাণ থাকলে এর বেশি সোনাও রাখা যায়।

লকারে সোনা রাখার নিয়ম: ব্যাঙ্কের লকারে সোনা রাখার ক্ষেত্রেও কি রয়েছে কোনও নির্দিষ্ট সীমা? রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া কিন্তু ব্যাঙ্কের লকারে সোনা রাখার ক্ষেত্রে কোনও ঊর্দ্ধসীমা ধার্য করেনি। প্রয়োজন এবং লকারের আকার অনুযায়ী যত খুশি সোনা রাখতে পারেন গ্রাহক। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে, লকারের ভেতর জায়গা কিন্তু সীমিত। তাই সেখানে কতটা জিনিস ধরবে তার উপরেও নির্ভর করে সোনা রাখার পরিমাণ।
আরও পড়ুন : যেকোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন, আগাম জামিনের আশায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ ইন্দ্রনীল সেন
সংরক্ষণ করুন নথি: সোনা (Gold in Locker) কেনার বৈধ নথি অবশ্যই যত্ন করে সংরক্ষণ করা উচিত। ভবিষ্যতে কোনও প্রয়োজন পড়লে তখন প্রমাণস্বরূপ বিল, রসিদ বা অন্য প্রমাণপত্র দেখিয়ে প্রমাণ করা যায় যে বৈধভাবে সোনা কেনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সোনা কেনার সমস্ত নথিপত্র, বড় অঙ্কের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব রেকর্ড সুশৃঙ্খলভাবে রাখা উচিত।
আরও পড়ুন : জরিমানা থেকে জেল, প্যান কার্ডের একটি ছোট্ট ভুলেই নেমে আসতে পারে বড় বিপদ
লকারের ভেতরে কী রাখা হচ্ছে না হচ্ছে তা ব্যাঙ্ক জানে না এবং সেই জিনিসগুলির বিমাও কিন্তু করায় না। তাই অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ব্যাঙ্কের অবহেলাজনিত নয়, এমন চুরি হলে ব্যাঙ্ক কিন্তু ক্ষতিপূরণ দিতেও বাধ্য নয়। তাই সোনা ক্রয় সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র গ্রাহককে নিজের দায়িত্বেই ঠিক রাখতে হবে।













