আসল ইলিশের দামে ‘নকল’ ইলিশ গছিয়ে দিচ্ছে না তো? ফারাক করবেন কীকরে?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : বর্ষার শুরুতেই মৎস্যজীবীদের জালে উঠতে শুরু করেছে ইলিশ (Hilsa Fish)। দক্ষিণ ২৪ পরগণার একাধিক উপকূলীয় অঞ্চলে ইলিশ ধরা পড়েছে। প্রায় ১০০ টন ইলিশ এসেছে ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজারে। সেখান থেকেই কলকাতা সহ অন্যান্য জেলার বাজারে ছড়িয়ে পড়বে রূপোলি শষ্য। মরশুমের শুরুতেই টন টন ইলিশ আসায় মুখে চওড়া হাসি ভোজন রসিকদের।

টন টন ইলিশ (Hilsa Fish) ঢুকেছে বাজারে

মরশুমের প্রথম ইলিশ বলে কথা। চড়া দাম দিয়ে হলেও অনেকে কিনে নিয়ে যাবেন বাড়িতে। তবে দাম দিয়ে যে মাছটা কিনছেন সেটা আদৌ ইলিশ তো? একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী আসল ইলিশের দাম নিয়ে গছিয়ে দেয় নকল ইলিশ। কীভাবে বুঝবেন আসল নকলের ফারাক? নকল ইলিশ ক্রেতাকে বিক্রি করার চেষ্টা করেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। চন্দনা, সার্ডিন, খয়রা, চাপিলার মতো সামুদ্রিক মাছ দেখতে ইলিশের মতোই। তবে চওড়ায় ইলিশের থেকে খাটো এরা। আবার এই মাছগুলির চোখ ইলিশের তুলনায় বড় হয়।

How to differentiate between original and fake hilsa fish

কীভাবে করবেন ফারাক: ইলিশের (Hilsa Fish) পেট এবং পিঠ দুদিকই সমান বাঁকানো হয়। কিন্তু সার্ডিন মাছের পিঠের তুলনায় পেটের অংশ বেশি বাঁকানো থাকে। সার্ডিনের তুলনায় আকারেও অনেকটাই বড় ইলিশ। যেখানে সার্ডিন বা চন্দনা ইলিশের (Hilsa Fish) দৈর্ঘ্য হয় ৭-২০ সেমি, সেখানে ইলিশ প্রায় ৭৫ সেমি লম্বা হয়ে থাকে। সার্ডিন মাছের মাথা ছোট এবং অগ্রভাগ ভোঁতা হয়। অন্যদিকে ইলিশ মাছের (Hilsa Fish) মাথা হয় লম্বাটে আকারের আর অগ্রভাগও সূচালো। রূপোলি ইলিশের গায়ে লালচে গোলাপি আভা থাকে। তবে অসাধু ব্যবসায়ীরা রঙ করে চন্দনা বা খয়রা মাছের গায়ে তেমন আভা আনতে চান। তাই মাছ কেনার সময় হাতে নিয়ে দেখুন।

আরও পড়ুন : কোটি কোটি কৃষক পেয়েছেন কিষাণ যোজনার টাকা, কোন ভুলে আটকে যেতে পারে অর্থ?

টাটকা ইলিশ চেনার উপায়: ইলিশের (Hilsa Fish) থেকে সার্ডিনের চোখ অনেকটা বড় হয়। সার্ডিনের পিঠের পাখনার সামনে এবং লেজের পাখনার কিনারা হয় ঘোলাটে রঙের। ইলিশের (Hilsa Fish) ক্ষেত্রে তা হয় সাদা। তাছাড়া ইলিশ মাছ নাকের কাছে নিয়ে আসলে চেনা ইলশে গন্ধ পাওয়া যায়, যেটা সার্ডিনে মেলে না। ইলিশ (Hilsa Fish) ভালো, স্বাদের হবে কিনা তা বোঝারও কিছু উপায় আছে।

আরও পড়ুন : ফর্ম তুলতে ব্যাঙ্কে যাবেন? আগামী সপ্তাহে ৪ দিন টানা বন্ধ ব্যাঙ্ক, কবে কবে জেনে রাখুন

আকারে যত বড় হবে, ইলিশের স্বাদও তত খোলতাই হবে। টাটকা ইলিশ শক্ত থাকে। অন্যদিকে বাসি হলে পেটের কাছে ধরলেই মাথা আর লেজা হেলে পড়বে। টাটকা ইলিশের কানকো হয় টকটকে লাল। বাসি হলেই বাদামি বা কালচে বর্ণের। ইলিশ টাটকা হলে চোখ স্বচ্ছ, উজ্জ্বল হবে। হিমঘরে থাকা বাসি ইলিশের চোখ ঘোলাটে হয়। ইলিশের ডিমের আলাদা কদর হলেও ডিমভরা ইলিশ কিন্তু স্বাদে কিছুটা হলেও কম হয়।