বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার ভারতকে (India) একটি বিশ্বব্যাপী মোবাইল হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঠিক এই আবহেই এবার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, সরকার শীঘ্রই মোবাইল ফোন উৎপাদনের জন্য দ্বিতীয় প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনটেনসিভ তথা PLI স্কিম চালু করতে চলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে যে, দেশ থেকে মোবাইল ফোন রফতানি বাড়ানোর জন্য সরকার মে মাসের মধ্যে একটি PLI স্কিম চালু করতে পারে। এই প্রকল্পের বাজেট হবে ৫ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৭,০০০ কোটি টাকা)।
ভারত (India) হতে চলেছে বিশ্বের ‘মোবাইল হাব’:
জানিয়ে রাখি যে, দেশে দেশীয় মোবাইল ফোন উৎপাদনকে উৎসাহিত করার জন্য ২০২০ সালে বৃহৎ পরিসরে ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং (LSEM) প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। তৎকালীন বিনিময় হার অনুযায়ী এই প্রকল্পের বাজেট ছিল ৪০,৯৯৫ কোটি টাকা (প্রায় ৫.৭ বিলিয়ন ডলার)। LSEM সাধারণত মোবাইল ফোনের জন্য PLI স্কিম নামে পরিচিত ছিল।

মে মাসে স্কিমটি চালু হতে পারে: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র PTI-কে জানিয়েছে যে, মোবাইল ফোনের জন্য PLI ২.০ তৈরির কাজ চলছে। যার মূল লক্ষ্য রফতানি বৃদ্ধি করা। এটি মে মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হতে পারে। এই স্কিমের বাজেট ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক PLI স্কিমটি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করছে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটি মন্ত্রিসভায় পেশ করা হবে। সূত্রটি জানিয়েছে, “আমাদের লক্ষ্য ভারত থেকে মোবাইল ফোন রফতানি দ্বিগুণ করা। তবে, এর অনেকটাই এই প্রকল্পের বাজেটের ওপর নির্ভর করবে।’
আরও পড়ুন: একী কাণ্ড! বিক্রি হয়ে গেল মুকেশ আম্বানির এই সংস্থা, নতুন মালিক কে?
২.৬২ লক্ষ কোটি টাকার মোবাইল ফোন রফতানি হয়েছে: সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ২.৬২ লক্ষ কোটি টাকার (প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার) স্মার্টফোন রফতানি করা হয়েছে। এই প্রকল্পের সাফল্যে নেতৃত্ব দিয়েছে Apple।
আরও পড়ুন: নাইট শিবিরে জোড়া ধাক্কা! CSK-র কাছে পরাজয়ের পর ‘শাস্তি’-র সম্মুখীন রাহানে
চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ, এই স্কিমের অধীনে মোট রফতানির পরিমাণ ৬.২ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এটি এই স্কিমের জন্য নির্ধারিত ৪.৮৭ লক্ষ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭ শতাংশ বেশি। তবে, এই স্কিমের মাধ্যমে ১.৮৫ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। যা এই প্রকল্পের অধীনে সরকারের ২ লক্ষ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ শতাংশ কম।












