বঙ্গের রেল যোগাযোগে গতি! বরাদ্দ ১৩,০০০ কোটির প্রকল্প, হচ্ছে ১২ টি নতুন ট্রেনের উদ্বোধন

Published on:

Published on:

Indian Railways 13,000 crore rail project going to be done West Bengal.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের হাত ধরে রাজ্যে ঢেলে সাজানো হচ্ছে ১০১ টি রেল স্টেশন (Indian Railways)। ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের অধীনে সম্পন্ন হতে চলা এই পদক্ষেপে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকা। সরকারের লক্ষ্য হল প্রতিটি বড় স্টেশনকে অত্যাধুনিক ‘সিটি সেন্টার’-এ পরিণত করা। শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগেও এবার সূচনা হতে চলেছে নতুন অধ্যায়ের।

বঙ্গের রেল (Indian Railways) যোগাযোগে গতি!

ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন যে NJP তথা নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন কে বিশ্বমানের ট্রানজিট হাবে রূপান্তরিত করা হবে। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দুপুরে শিলিগুড়িতে পৌঁছে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের আধুনিকীকরণের কাজ পরিদর্শন করেছেন। এজন্য খরচ হচ্ছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

Indian Railways 13,000 crore rail project going to be done West Bengal.

জানিয়ে রাখি যে, শুক্রবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছে সড়কপথে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে যান রেলমন্ত্রী। সেখানে তিনি ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ রেল আধিকারিকদের সঙ্গে নির্মীয়মান স্টেশনের অগ্রগতির রিপোর্ট সম্পর্কে আলোচনা করেন। অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান লাইফলাইন ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই কারণেই ওই সেখান থেকে বেশি সংখ্যক প্যাসেঞ্জার এবং মেল-এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ৩ মাসে মিলেছে দ্বিগুণ লাভ! বোনাস শেয়ারের ঘোষণা এই কোম্পানির, আপনার পোর্টফোলিওতে আছে নাকি?

রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গের রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ, আগামীকাল দেশের প্রথম অত্যাধুনিক স্লিপার কোচের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ভার্চুয়ালি উদ্বোধনে অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন: যাত্রীদের জন্য সুখবর! এবার একটি SMS-এই হবে সব সমস্যার সমাধান, সফরের আগে এখনই নিন জেনে

এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদী শনিবারই রাজ্যের জন্য আরও ১২ টি নতুন ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। ওই ট্রেনগুলির মধ্যে একাধিক প্যাসেঞ্জার ও এক্সপ্রেস ট্রেন সামিল রয়েছে। যেগুলি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগকে আরও শক্তিশালী করবে এবং যাত্রীরাও লাভবান হবেন।