বাংলা হান্ট ডেস্ক: লেবানন ও ইজরায়েলের (Israel-Lebanon) মধ্যে চলমান সংঘাতের আবহে সম্প্রতি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর এই সমঝোতার কথা প্রকাশ্যে আনেন। তবে ঘোষণার একদিনের মধ্যেই সেই যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ সামনে আসে, যা নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়।
সংঘর্ষবিরতির পরেও অব্যাহত ইরায়েল-লেবানন (Israel-Lebanon) সংঘাত:
লেবাননের অভিযোগ, দক্ষিণ লেবাননের একাধিক এলাকায় ইজ়রায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে, যার জেরে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, তুলিন, ওয়াদি আল-হুজাইর, শ্রীফা ও ইয়াতের-সহ বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলায় সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের বক্তব্য, এই হামলা সরাসরি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে, যা যুদ্ধবিরতির শর্তের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
আরও পড়ুন: মাত্র ৩ কিমি দূরে লেবং, এবারের গরমের ছুটিতে দার্জিলিং ভ্রমণে মিস না করার মতো এক শান্ত গন্তব্য
অন্যদিকে, ইজরায়েলের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, দক্ষিণ লেবাননের বিন্ট জেবেইল অঞ্চলে তাদের বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় হেজবোল্লা। সেই হামলার জবাবেই গুলির লড়াই শুরু হয় এবং তাতে হেজবোল্লার ৬ জন সদস্য নিহত হয় বলে তাদের দাবি। ফলে দুই পক্ষই একে অপরকে সংঘর্ষ শুরুর জন্য দায়ী করছে।
গত ১৬ এপ্রিল প্রথম যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হলেও, তার পরেও সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। মার্চের শুরু থেকে সংঘর্ষে লেবাননে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২৪৯১-এ পৌঁছেছে এবং আহত হয়েছেন ৭৭১৯ জন। লেবাননের সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দেইর আমেস শহরের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকেই স্পষ্ট করছে।

আরও পড়ুন: মাত্র ৩ কিমি দূরে লেবং, এবারের গরমের ছুটিতে দার্জিলিং ভ্রমণে মিস না করার মতো এক শান্ত গন্তব্য
এদিকে হেজবোল্লাও পাল্টা আক্রমণ জোরদার করেছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, তারা একটি ইজরায়েলি (Israel-Lebanon) ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং রকেট ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। হেজবোল্লার নেতা আলি ফায়াদ স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো অর্থহীন, কারণ ইজরায়েলের ধারাবাহিক হামলা তাদের পাল্টা জবাব দিতে বাধ্য করছে। ফলে যুদ্ধবিরতির পরেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।













