বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের মতো উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দিরে শুধুমাত্র হিন্দুরাই প্রবেশ করতে পারবেন (Kedarnath)। এমনটাই মন দিয়ে পরিচালন এর ভারপ্রাপ্ত বোর্ডের বৈঠকে জানানো হল। সেখানে মন্দির পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত বোর্ডের বৈঠকে অ হিন্দুদের প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রস্তাব পাশ হয়েছে। এই বিষয়ে গঙ্গোত্রী মন্দির কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বোর্ডের সভাপতি হেমন্ত দ্বেবেদীর সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ টেম্পেল কমিটির বোর্ড বলতো কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়।
এপ্রিল থেকে কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দিরে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ, জানাল পরিচালন বোর্ড (Kedarnath)
এই বিষয়ে বোর্ডের সভাপতি হেমন্ত দ্বেবেদীর জানান, ‘‘আগামী মাসে তীর্থযাত্রার মরসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন নিয়মটি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি নতুন এই নিয়মের ফলে অ-হিন্দুরা মন্দির প্রাঙ্গণ বা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না (Kedarnath)।’’

আরও পড়ুন: LPG সঙ্কটে তেল সংস্থার বড় আপডেট! এই টিপস মেনে চললে রান্নায় গ্যাসের খরচ কমবে হু হু করে
তিনি আরও জানান, মন্দিরে অ-হিন্দুদের প্রবেশ সীমিত রাখার এই প্রথা আদি শঙ্করাচার্যের সময় থেকেই চলে আসছে। এছাড়াও ভারতীয় সংবিধান ধর্মীয় স্থানগুলির পরিচালনার অধিকার সংশ্লিষ্ট বোর্ডের উপর ন্যস্ত করে। এই বিষয়ে হেমন্ত দ্বেবেদী বলেন ‘‘এ বিষয়ে বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বদরীনাথ ও কেদারনাথ পর্যটনকেন্দ্র নয়, বরং বিশ্বাসের কেন্দ্র। এগুলি বৈদিক আধ্যাত্মবাদের কেন্দ্র, যা আদি শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ভারতীয় সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায়কে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিষয় পরিচালনার অধিকার দেয়।’’
চলতি বছর বদ্রীনাথ ধামের দরজা ২৩ এপ্রিল খোলার কথা। কেদারনাথ ধামের দরজা খুলবে ২২ এপ্রিল। পাশাপাশি এই চারধাম যাত্রা শুরু হবে ১৯ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে। সে দিন গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী মন্দিরের দ্বারও খুলে দেওয়া হবে এ মরশুমের জন্য। শ্রী গঙ্গোত্রী মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, শতাব্দীপ্রাচীন কেদারনাথ-বদ্রীনাথ মন্দির-সহ মোট ৪৫টি মন্দিরের জন্য একই নিয়ম জারি করা হবে।
শ্রী গঙ্গোত্রী মন্দির কমিটি চেয়ারম্যান সুরেশ সেমওয়াল জানুয়ারি মাসে অ-হিন্দুদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগের কথা ঘোষণা করে বলেছিলেন, ‘‘উত্তরাখণ্ডের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়াও অতীতে এই মন্দিরগুলোতে শুধুমাত্র হিন্দুরাই প্রবেশ করতে পারতেন। তাই আবার সেই পুরনো বিষয়ে নিশ্চিন্ত করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Kedarnath)।

















