বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম KKR ভারতে (India) বৈদ্যুতিক বাসের পরিচালনা তথা অপারেশন এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অলফ্লিট ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এবং পিএমআই ইলেকট্রো মোবিলিটি সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেডে ৩১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ করার জন্য একটি চুক্তি হতে চলেছে। এই চুক্তির অধীনে, KKR পরিচালিত ফান্ড অলফ্লিটে মেজরিটি স্টেক পিএমআই ইলেকট্রোতে সংখ্যালঘু মাইনরিটি স্টেট অর্জন করবে। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভারতে এটি KKR-এর প্রথম ক্লাইমেট ট্রানজিশন বিনিয়োগ।
ভারতে (India) বৈদ্যুতিক বাসের সেক্টরে বিপুল বিনিয়োগ KKR-এর:
জানিয়ে রাখি যে, অলফ্লিট ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি পিএমআই ইলেক্ট্রোর ইলেকট্রিক বাস প্ল্যাটফর্ম। যেটি বৃহৎ পরিসরে ইলেকট্রিক বাস পরিচালনা থেকে শুরু করে ম্যানেজ করে। সংস্থাটি বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন প্রধান শহরে ৫,০০০-এরও বেশি ই-বাস চালানোর জন্য রাজ্য পরিবহণ বিভাগগুলির সঙ্গে কাজ করছে।

একটি ই-বাস প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে: এদিকে, এ এই বিনিয়োগ এমন এক সময়ে এসেছে যখন ভারত দ্রুত ক্লিন এনার্জি এবং কম দূষণ সৃষ্টিকারী পরিবহণের দিকে এগিয়ে চলেছে। KKR-এর এই ফান্ডিং অলফ্লিটের সম্প্রসারণে সহায়তা করবে এবং পিএমআই ইলেক্ট্রোর উৎপাদন ও পরিষেবা সক্ষমতাকেও শক্তিশালী করবে। KKR-এর মতে, এই অংশীদারিত্ব অলফ্লিটের বৃহৎ পরিসরের সক্ষমতা এবং পিএমআই ইলেক্ট্রোর উৎপাদন শক্তিকে একত্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রিক মবিলিটি সলিউশন তৈরি করবে। যার মধ্যে সামগ্রিকভাবে বাস উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিচালনা এবং এর সম্পূর্ণ লাইফ সাইকেল ম্যানেজ করাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
আরও পড়ুন: শিল্পে ঘটবে বিপ্লব! হবে লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান, দেশের ছবি বদলাবে মোদী সরকারের BHAVYA স্কিম
চুক্তিটি কবে সম্পন্ন হবে: ইতিমধ্যেই পিএমআই ইলেক্ট্রো-র CEO আঁচল জৈন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি, তিনি এটাও জানিয়েছেন যে, এই পদক্ষেপ ভারতে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের উন্নতি ও উন্নয়নে সাহায্য করবে।
আরও পড়ুন: হরমুজ সঙ্কটের আবহে স্বস্তি পেল ভারত! তেলের জন্য নতুন রুট খুলে দিল সৌদি আরব
উল্লেখ্য যে, KKR তার গ্লোবাল ক্লাইমেট ট্রানজিশন ফান্ডের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ করছে। সংস্থাটি ২০১০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত প্রকল্পে ৪৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে। এমতাবস্থায়, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি নাগাদ চুক্তিটি সম্পন্ন হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।












