জন্ম শংসাপত্রের সঙ্গে আধার লিঙ্ক করবেন কীভাবে? অনলাইন আবেদনের আগে জেনে নিন নিয়ম

Published on:

Published on:

Know how to link birth certificate with aadhar
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : শিশুর জন্মের পর তার ভবিষ্যতের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি করা হয়। এর মধ্যে জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) যেমন জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে, তেমনই পরিচয় যাচাইয়ের নানা ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় আধার কার্ড। এই দুই নথি একসঙ্গে সংযুক্ত করা থাকলে দরকারে কাজে লাগবে।

জন্ম শংসাপত্রের (Birth Certificate) সাথে আধার সংযুক্ত করুন সহজে

বর্তমানে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করছেন সাধারণ মানুষ। প্রয়োজনের সময় কাগজপত্র খুঁজে পাওয়ার সুবিধার জন্য অনেকেই ফোনে নথির ছবি কিংবা সফট কপি রেখে দেন। কিন্তু ডিজিটাল কপি সংরক্ষণ করা আর দুটি সরকারি নথির তথ্য পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকা এক বিষয় নয়। জন্ম শংসাপত্র তৈরি হওয়ার অর্থই যে তার সঙ্গে আধার কার্ডের সংযোগ হয়ে গিয়েছে, এমনটা ধরে নেওয়া উচিত নয়।

শিশুর জন্মের তথ্য নথিভুক্ত করার জন্য সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। কিছু রাজ্যে জন্মের তথ্য নথিভুক্ত করার সময় আধার সংক্রান্ত আবেদন বা তথ্য দেওয়ার সুবিধাও থাকতে পারে। তবে সব রাজ্যে একই ব্যবস্থা চালু রয়েছে কি না, তা আগে যাচাই করা প্রয়োজন। এই সংক্রান্ত পরিষেবা পেতে প্রথমে সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমের সরকারি পোর্টালে গিয়ে নিজের রাজ্যের জন্য কী কী সুবিধা রয়েছে, তা দেখতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ না থাকলে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী পদক্ষেপ জেনে নিতে হবে।

আবেদনের আগে শিশুর জন্ম শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় আধার সংক্রান্ত তথ্য হাতের কাছে রাখা ভালো। কোনও তথ্য কীভাবে দিতে হবে, তা নিয়ে সংশয় থাকলে নিকটবর্তী আধার কেন্দ্র কিংবা জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন দপ্তর থেকে সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। অনলাইনে পরিষেবা চালু রয়েছে বলে ধরে নিয়ে আবেদন শুরু করার আগে সরকারি পোর্টালে প্রকাশিত নির্দেশিকা যাচাই করাই জরুরি।

Know how to link birth certificate with aadhar

আরও পড়ুন : ১ টাকাতেই বিরিয়ানি-মিষ্টি পাবেন দুঃস্থরা! আজ থেকে রাজ্যে চালু হচ্ছে আহার ক্যান্টিন

ডিজিটাল ব্যবস্থায় নথি সংরক্ষণ ও পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়লেও প্রতিটি কাজের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। তাই জন্ম শংসাপত্রের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলে প্রথমেই নিজের রাজ্যে এই সুবিধা চালু রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করুন। সঠিক তথ্য জেনে আবেদন করলে অপ্রয়োজনীয় দৌড়ঝাঁপ এড়ানোর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নথি সংক্রান্ত ভুলের আশঙ্কাও কমানো সম্ভব।