কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ভেরিফিকেশন শুরু! কী কী নথি লাগছে, কীভাবে করতে হচ্ছে জানুন

Published on:

Published on:

Krishak Bandhu verification started required documents eligibility explained
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পর কৃষক বন্ধু (Krishak Bandhu) প্রকল্প নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। যোগ্য উপভোক্তা বাদে আর কেউ যাতে এই প্রকল্পের (Government Scheme) সুবিধা না পায় সেটা নিশ্চিত করতে তৎপর রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে। তাতে কী কী নথি লাগছে, কীভাবে করতে হচ্ছে জেনে নিন।

কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ভেরিফিকেশনের খুঁটিনাটি | (Krishak Bandhu)

রাজ্য সরকারের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে। প্রকল্পের সুবিধা বজায় রাখতে উপভোক্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি দফতরে প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে হবে। জানা গিয়েছে, হাওড়ার গ্রামীণ এলাকায় ব্লক কৃষি বিভাগের সহায়তায় বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে উপভোক্তাদের সহযোগিতা ও নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ বিদেশের ধাঁচে সাজানো হবে কলেজ স্ট্রিট! বইপাড়া নিয়ে রাজ্যের পরিকল্পনা জানালেন অগ্নিমিত্রা

এছাড়াও জানা গিয়েছে, ব্লক কৃষি আধিকারিকের কার্যালয় (BSK/ADA Office) ব্লক অ্যাসিন্ট্যান্ট ডিরেক্টর অফ এগ্রিকালচার অফিসে গিয়ে তথ্য যাচাই করা যাবে। সেই সঙ্গেই হাওড়ার গ্রামীণ এলাকার মানুষের সুবিধার্থে পঞ্চায়েতগুলিতেও এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর জন্য উপভোক্তার আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, এসআইআর স্ট্যাটাস, ব্যাঙ্ক পাসবই, জমির তথ্য, ২০১৯ সাল ও বর্তমান পরচা সহ বেশ কিছু নথি লাগছে।

হাওড়ার পাশাপাশি রাজ্যের আরও জেলাগুলিতে জোরকদমে কৃষক বন্ধুর ভেরিফিকেশন চলছে। উপভোক্তাদের ফর্ম জমা নেওয়ার সময় সকল নথিপত্র ঠিকঠাকভাবে দেওয়া হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। শুধুমাত্র যোগ্য কৃষকদের হাতে এই প্রকল্পের আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই ভেরিফিকেশন শুরু করেছে রাজ্য।

Krishak Bandhu

কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়ে সরকারের এই পদক্ষেপে খুশি বহু কৃষক। কৃষ্ণনগরের এক চাষি বলেন, এই যাচাই হওয়া দরকার। এতে ভুয়ো কেউ থাকলে বাদ পড়বেন এবং যোগ্য ও প্রকৃত উপভোক্তারাই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আরেকজন আবার জানান, এই প্রকল্পের টাকা দিয়ে সার, চাষের বীজ সহ অন্যান্য খরচ করি। কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই জন্য সব নথিপত্র সহ ফর্ম জমা দিতে এসেছি।