বাংলা হান্ট ডেস্ক: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার বিপাকে তৃণমূল নেতা তথা কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। কামারহাটি ও টিটাগড় পৌরসভায় ঘুষ নিয়ে মোট ১২৫ জনকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মদন মিত্রের বিরূদ্ধে। তারপরেই তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট তথা ইডি। এছাড়া তাঁর দুই ছেলে ও স্ত্রীকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত ইডির নির্দেশ মেনে আজ সকালেই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে দিয়েছেন মদন মিত্র। ইডি সূত্রে খবর, মদন মিত্রের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু ডিজিটাল ডিভাইস এবং ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারী অফিসারেরা। আর সেই সূত্র ধরেই আজ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
বুধবার ইডির দপ্তরে হাজিরা দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মদন মিত্র বললেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতির সাথে জড়িত নই। ইডি অমাকে ডেকেছে, সেখানে যা বলার আমি বলবো।’ প্রসঙ্গত ব্যাংকের কিছু লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে ইডির। জানা যায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই সন্তানও এসেছিলেন। তবে মদন মিত্র এদিন জানান, ‘ওরা কি জানতে চাইবে তা তো জানি না।তবে ওনারা যা বলবেন আমি সহযোগীতা করবো।’
আরও পড়ুনঃ রাজ্যসভায় পাশ ‘বন্দে মাতরম’ বিল, কী থাকছে নতুন আইনে?
তৃণমূল নেতার আরও সংযোজন, ‘ওনারা অফিসিয়াল এজেন্সি তাই যাঁকে খুশী মনে করবেন ওনারা ডেকে পাঠাবেন। আমরা সহযোগীতা করবো।’ যদিও সাংবাদিকদের সামনে এর বেশী মুখ খুলতে চাননি তিনি। তাই এদিন একাধিকবার সাংবাদিকদের তিনি জানান যা বলার ইডির সামনে বলবেন।
বারবার সাংবাদিকদের একই প্রশ্ন শুনে এদিন আচমকা মেজাজ হারান মদন মিত্র। বিরক্ত হয়েই উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা যে আমাকে যেতে দিচ্ছেন না, এরপর আমার দেরী হলে আমি বলবো আপনাদের জন্য ঢুকতে পারি নি।’ অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, পরিবারকে নোটিশ পাঠানোর পরেই শিবির বদল করতে চলেছেন মদন মিত্র।














