বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বহু বছর ধরে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ ও নয়া পে কমিশনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে আসছেন এ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের (Government Employees) একাংশ। তবে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে সে দাবি পূরণ হয়নি। ২৬-এর ভোটে বিজেপি (BJP) সরকারি কর্মীরা ডিএ নিয়ে সুর চড়াতে শুরু করেছেন। পে কমিশন নিয়েও বাড়ছে ক্ষোভ।
সরকারি কর্মীদের পে কমিশন নিয়ে প্রশ্ন একাংশের | Government Employees
বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই প্রতিশ্রুতি মতো সপ্তম পে কমিশনের ঘোষণা করে দিয়েছে রাজ্যে। গতকাল জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দফতরের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে যে, সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরকে তাদের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তাব পরবর্তী বেতন কমিশনের কাছে পেশ করার জন্য প্রস্তুতি নিতে অর্থ দফতরের পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে জারি করা সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।
রাজ্য সরকার তরফে আগেই জানানো হয়, আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যেই কার্যকর হবে নতুন পে কমিশন। যদিও ভোটের আগে বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, সরকারি কর্মীদের ডিএ নিশ্চিত করা হবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে। পাশাপাশি ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে।
নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ডিএ সুনিশ্চিত করা হবে। সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে হবে সপ্তম পে কমিশন লাগু এবং ৬ মাসের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন। এই প্রতিশ্রুতিকে হাতিয়ার করেই সরব হচ্ছেন সরকারি কর্মীদের একটা অংশ।
আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করেছেন? অগাস্টের ৩০০০ টাকা পাওয়ার আগে অবশ্যই চেক করুন স্ট্যাটাস
এই নিয়ে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “৪৫ দিনে বেতন কমিশন লাগু হবে, এই প্রতিশ্রুতি ছিল। দুমাসের বেশি অতিক্রান্ত, এখন কর্মীদের বোকা বানাতে চাইছেন?”

জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দফতরের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে একইসাথে মলয়বাবু আরও লেখেন, “এটা কি? এর সত্যতা কতটা?
পেকমিশন গঠনে এই ধরনের 𝚙𝚛𝚘𝚙𝚘𝚜𝚊𝚕 কোন দিন সামনে আসেনি। তাই বলি, এটা কর্মচারিদের বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত।” তার মতে সরকার নিজের কথা রাখছে না। এই নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মলয়বাবু।













