বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দ্বিতীয় দফার ভোটের সকালে ভবানীপুরের একাধিক বুথ ঘুরে পরিস্থিতি দেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশনের কিছু আধিকারিকের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন তিনি। মমতার দাবি, ভোটের আগের রাত থেকেই তৃণমূল কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে এবং ভোটে প্রভাব ফেলার চেষ্টা চলছে। বুথে বুথে ঘোরার ফাঁকেই সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ভবানীপুর ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার (Mamata Banerjee)
মঙ্গলবার সকাল থেকে ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। কখনও ৭০ নম্বর ওয়ার্ড, কখনও কলিন স্ট্রিট, আবার কখনও শাখাওয়াত মেমোরিয়াল বা সাউথ ক্যালকাটা গার্লস কলেজের বুথে গিয়ে ভোটের পরিস্থিতি খোঁজ নেন তিনি।
এই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, তিনি চান শান্তিপূর্ণ ভোট হোক এবং মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু পদক্ষেপ সেই পরিবেশ নষ্ট করছে।
মমতার (Mamata Banerjee) দাবি, ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের এক কাউন্সিলরের বাড়িতে গভীর রাতে সিআরপিএফ জওয়ানরা যায়। তখন ওই কাউন্সিলর বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও ছোট সন্তান। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, স্থানীয় থানাকে কিছু না জানিয়েই ওই অভিযান চালানো হয় এবং পরিবারের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়।
এদিন নির্বাচন কমিশনের কিছু অবজ়ার্ভারের ভূমিকাতেও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে আসা কিছু অবজ়ার্ভার পুলিশকে চাপ দিচ্ছেন যাতে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভাঙড়ের একটি ঘটনার কথাও তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোবাইলে কিছু ছবি দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, সেখানে এক তৃণমূল কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি জোর করে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে কে জিততে চলেছেন? মমতা না শুভেন্দু, সামনে চাঞ্চল্যকর সমীক্ষার রিপোর্ট
মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) আরও বলেন, পুরো পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে তিনি সারা রাত জেগে ছিলেন। তাঁর দাবি, শুধু দলীয় কর্মীরাই নয়, পুলিশ আধিকারিকদের ওপরও চাপ তৈরি করা হচ্ছে। তবে এত কিছুর পরেও তৃণমূল কর্মীরা লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেই জানান তিনি। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ ভোটের পক্ষেই বারবার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।












