বাংলা হান্ট ডেস্ক : আগে অল্প টাকাতেই ব্যাগভর্তি জিনিস আসত বাড়িতে। সেই চেনা ছবি এবার অতীত হতে বসেছে। দিনের পর দিন দাম বেড়ে চলেছে নিত্যদিনের সামগ্রীর ( Market Price Hike)। শাকসবজি থেকে শুরু করে মুদির দোকানে জিনিস দাম বাড়ছে সবকিছুরই। শহর কলকাতার বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে থাকায় মধ্যবিত্তের পকেটে চাপ পড়েছে।
কতটা বেড়েছে বাজারদর (Market Price Hike) ?
সবজির দরে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে, বেগুনের দাম বর্তমানে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। কিছুদিন আগেও তা প্রায় ৫৯ টাকা ছিল। টমেটো ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা কেজিতে পৌঁছেছে। কাঁচা লঙ্কার দর বেড়ে এখন ৮০-১০০ টাকা কেজি। পটলের দাম ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৮০ টাকা। ১০০ টাকা কেজি দরের বিনস এখন ১৫০ টাকা। ক্যাপসিকাম ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা কেজি হয়েছে। করলার দর ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা এবং ঝিঙে ৬০ থেকে বেড়ে ৭০ টাকা কেজি।
বাজারে শসার দাম এখন ৫০ টাকা কেজি, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৫০ টাকা এবং পেঁয়াজ প্রায় ৫০ টাকা কেজি। পেঁপের দামও কেজিতে ২০-২৫ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। সবজির পাশাপাশি মুদিখানার পণ্য কিনতেও বাড়তি খরচ হচ্ছে। ছোলার ডাল ৭৫ টাকা থেকে বেড়ে ৯০ টাকা কেজি হয়েছে। মুসুর ডালের দর ১০০ থেকে বেড়ে ১১০ টাকা এবং অড়হর ডাল ১০০ থেকে বেড়ে ১১৫ টাকা। ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে হলুদও।
গোবিন্দভোগ চালের দাম ১৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০ টাকা কেজি হয়েছে। সরষের তেলের দাম ১৬০ থেকে বেড়ে ১৮০ টাকা এবং সাদা তেলের দাম ১৫০ থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা হয়েছে। ময়দার দাম ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা কেজি। তবে নিত্যপণ্যের তালিকায় সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে চিনির দাম। কেজিতে ৪৫ টাকা দরের চিনি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যেই দাম বাড়ার প্রভাব পড়ছে পরিবারের দৈনন্দিন খরচে। মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কায় বাজারে বিক্রিও কমেছে বলে জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীদের একাংশ।

আরও পড়ুন : নাম নেই স্বাস্থ্যসাথী-আয়ুষ্মানে, তবু পাবেন চিকিৎসা! হাসপাতালেই মিলবে মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ
বাজারদর নিয়ন্ত্রণে এর আগে নবান্নের নির্দেশে একাধিক বাজারে নজরদারি চালিয়েছিল টাস্ক ফোর্স। বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিলেন মন্ত্রী ও বিধায়করাও। সেই উদ্যোগের পর বাজারদর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হলেও বাস্তবে সেই পরিস্থিতি বদলায়নি। এখন সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন—কবে থামবে এই লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধি? দ্রুত পদক্ষেপ না হলে উৎসবের মরসুমে বাজার খরচ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ক্রেতাদের।













