বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অনেকদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। রবিবার সেই জল্পনা সত্যি করে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া তথা এনসিপিআই-য়ে (NCPI) মিশে যাওয়ার ঘোষণা করেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। এরপর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শোনা যাচ্ছে, মোদী মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay) ও বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার।
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন সুদীপ ও শর্মিলা | (Sudip Bandyopadhyay)
জানা গিয়েছে, সুদীপ ও শর্মিলা দু’জনেই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বর্তমানে রাজধানী দিল্লির দরবারে এই জল্পনা চলছে। সেই সঙ্গেই এই গুঞ্জনে বঙ্গ রাজনীতিতেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘পার্টির কথা এখন বলা যাচ্ছে না’! কোন দলে আছেন বললেনই না মমতার ভাইয়ের স্ত্রী
এদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এনডিএ-তে যোগ দিতে সোমবারই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছে এনসিপিআই নেতৃত্ব। সংখ্যার নিরিখে দেখা হলে, বিজেপির পর এনডিএ জোটের সবচেয়ে বড় শরিক হতে চলেছে এই এনসিপিআই। বর্তমানে তাঁদের সাংসদ সংখ্যা ২০। এতদিন লোকসভায় এনসিপিআইয়ের কোনও সাংসদ ছিল না। তবে তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ যোগ দেওয়ায় একলাফে সেই সংখ্যা বেড়ে ২০ হয়ে গিয়েছে।
রবিবারই বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেছিলেন, “আমরা যারা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত সাংসদ, তাঁরা আজ দলের প্রতি নিজেদের ক্ষোভ লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে জানিয়েছি। সেই সঙ্গেই ভিন্ন দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টির সঙ্গে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্তও জানানো হয়েছে। আমরা আলাদা বসার চিঠি দিয়েছি। আমাদের দুই তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা। দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাজ করব”।

এই ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। এর মধ্যেই জল্পনা ছড়িয়েছে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শর্মিলা সরকার কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও অফিশিয়াল ঘোষণা হয়নি। ফলে শেষ অবধি কী হয় আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।













