বাংলাহান্ট ডেস্ক : গত বছর আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা (Ahmedabad Plane Crash) গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। টেক অফের পরমুহুর্তেই সোজা এক মেডিকেল হস্টেলে গিয়ে ধাক্কা মেরেছিল এয়ার ইন্ডিয়ার অভিশপ্ত বিমানটি। মাত্র একজন যাত্রী ছাড়া কেউই রক্ষা পাননি সে যাত্রায়। তারপর হয়েছে দীর্ঘ তদন্ত। এমনকি একাংশ আঙুল তুলেছেন বিমানচালকদের দিকেও। এবার ফের তদন্তে এল নয়া মোড়।
আহমেদাবাদ দুর্ঘটনা (Ahmedabad Plane Crash) নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
ইতালির এক দৈনিক পত্রিকার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়েছে এই দুর্ঘটনা। এখনও পর্যন্ত ভারতের বেসামরিক বিমান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (DGCA) চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না করলেও ওই ইতালীয় দৈনিকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা এখনও পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, সেদিন ইঞ্জিনে ফুয়েল কাট অফ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হয়নি। বরং ককপিটের ভেতরেই কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ফুয়েল সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

কী উঠে আসে তদন্তে: উল্লেখ্য, গত বছর জুলাই মাসে AAIB-র প্রাথমিক রিপোর্টে ককপিট ভয়েস রেকর্ডিংয়ে এক পাইলটকে অপরজনকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘তুমি ফুয়েল সুইচ অফ করলে কেন?’ উত্তরে অপরজন বলেন, ‘আমি বন্ধ করিনি’। এই কথোপকথন থেকেও সন্দেহ দানা বাঁধে যে, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ইঞ্জিনের ফুয়েল সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন : ‘আমি দেশের জন্যে…’, ২০২৭-এর ODI বিশ্বকাপে খেলার প্রসঙ্গে বড় প্রতিক্রিয়া রোহিতের, খুশি অনুরাগীরা
কার বিরুদ্ধে অভিযোগ: ওই রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ক্যাপ্টেন সুমিত সবরওয়াল বা কো পাইলট ক্লাইভ কুন্দরের মধ্যে কেউ একজন ওই সুইচ বন্ধ করেছিলেন। ইতালির দৈনিকের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) একমাস পর সুমিত সবরওয়ালের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আসে। তাই তাঁর উপরেই সন্দেহ বেশি যায়। যদিও সুমিতের পরিবার এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন : ব্লু লাইনের ঢালাও আধুনিকীকরণ, ভূগর্ভস্থ টানেলের ভোল বদলাতে কত খরচ রেলের?
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চূড়ান্ত রিপোর্টে হয়তো পাইলটদের নিয়মিত মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য সুপারিশ থাকবে। ব্ল্যাক বক্সের ডেটাও বলছে, দুর্ঘটনার সময় বিমানের দুটি ইঞ্জিনই অফ ছিল, আর তা ম্যানুয়ালিই করা হয়েছে। তদন্ত এখন রয়েছে শেষ পর্যায়ে। DGCA যতক্ষণ না চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করছে ততক্ষণ পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।












