LPG সঙ্কটের মাঝে রেশনে ফিরল কেরোসিন, বাংলার জন্য কতটা বরাদ্দ কেন্দ্রের?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধে জ্বালানি সঙ্কটের আতঙ্ক চরমে। কেন্দ্রের তরফে বারংবার আশ্বাস দেওয়া হলেও জ্বালানির ঘাটতির আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে মধ্যবিত্তের। এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় উঠে আসছে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Crisis) অমিলের অভিযোগ। এমতাবস্থায় জ্বালানি নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও ফিরে এল কেরোসিন। কেন্দ্রের ছাড়পত্রের জেরে এখন থেকে সমস্ত রেশন দোকানেই পাওয়া যাবে কেরোসিন।

কেন্দ্রের এলপিজির (LPG Crisis) বিকল্প কেরোসিন

২০২২ সাল থেকেই রেশনে কেরোসিন পাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মূলত পরিবেশ দূষণের জেরেই কেরোসিন দেওয়া বন্ধ করা হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। কিন্তু বর্তমানে এলপিজি সঙ্কট আবার ফিরিয়ে আনল কেরোসিন। জানা যাচ্ছে, কেরোসিন ফিরিয়ে আনার আর্জি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে চিঠি লেখেন রেশন ডিলারদের সংগঠন। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত।

Now kerosene will be available in ration shops amid LPG crisis

রেশনে পাওয়া যাবে কেরোসিন: জানা যাচ্ছে, কিছুদিনের মধ্যেই রেশন দোকান গুলিতে কেরোসিন পাওয়া যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যেভাবে গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Crisis) নিয়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে, এমতাবস্থায় রেশন দোকানে কেরোসিনের বন্টন মধ্যবিত্তের কাছে বড় স্বস্তি হতে পারে বলেই মত বিভিন্ন মহলের।

আরও পড়ুন : গ্যাস সঙ্কটে রান্না বন্ধের অভিযোগ স্কুলে, মিড ডে মিলে পড়ুয়াদের পাতে শুধুই সেদ্ধ ডিম

রাজ্যের জন্য কতটা অনুমোদন: যদিও এই সিদ্ধান্ত স্থায়ী নয়, সাময়িক সময়ের জন্যই কেরোসিনে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কতটা সময়ের জন্য ছাড়পত্র তাও এখনও স্পষ্ট নয়। রেশন ডিলার সংগঠন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৪ হাজার ১০০ কিলো লিটার কেরোসিন তেল বরাদ্দ করা হয়েছে। এই পরিমাণ তেল সংগ্রহের পরিকাঠামো রয়েছে রাজ্যের কাছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে কেরোসিন তেল তুলে নিতে হবে। এরপর রেশন ডিলাররা তা সরবরাহ করবে।

আরও পড়ুন : ধর্মঘটের দিন অনুপস্থিত থাকলেই ‘ডাইস নন’, কর্মীদের বেতন কাটার কড়া নির্দেশ নবান্নের

কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে খুশি হলেও রেশন ডিলারদের দাবি, এই ছাড়পত্র আবারও স্থায়ী করা হোক। অনেকের মতে, এলপিজি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির জন্য মধ্যবিত্ত মানুষ কেরোসিনের দিকেই ঝুঁকতে পারে।