এক ছাদের তলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও পরীক্ষা: ‘স্বাস্থ্য বন্ধু’ প্রকল্পের ক্যাম্পে চিকিৎসা পেলেন ১০ লক্ষ মানুষ

Published on:

Published on:

One million people received treatment in the Swasthya Bandhu project camps
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ভ্রাম্যমান চিকিৎসা প্রকল্প ‘স্বাস্থ্য বন্ধু'( Swasthya Bandhu)। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্য জুড়ে ১০,৩১১টি শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। যে সকল জায়গায় চিকিৎসক নেই, স্বাস্থ্য কেন্দ্রতে পৌঁছাতে পাড়ি দিতে হয় কয়েক কিলোমিটার পথ, সেইসব জায়গায় এই ভ্রাম্যমান চিকিৎসা পরিষেবা(Medical Services) যাতে মানুষের দরজায় পৌঁছে যায়, তার জন্য সরকার থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

স্বাস্থ্যবন্ধুর ( Swasthya Bandhu) ভ্রাম্যমাণ ইউনিটে বিনামূল্যে চিকিৎসা

স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে এই প্রকল্পে কুড়ি দিনের শিবিরে মানুষের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছিল। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় যাতে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছায় তার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ভ্রাম্যমান মেডিকেল ইউনিটগুলোতে ছিল হিমোগ্লোবিন, কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট, লিপিড প্রোফাইল, প্রেগন্যান্সি টেস্ট সহ আরো ৩৫ ধরনের পরীক্ষার ব্যবস্থা।

প্রত্যেকটা ইউনিট যেন এক একটা মিনি হাসপাতাল। প্রতিটা ইউনিটে রয়েছে ইসিজি মেশিন, নেবুলাইজার, আল্ট্রা সাউন্ড স্ক্যানার। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্সরা প্রাথমিক রোগ নির্ণয়ের পর প্রয়োজন অনুযায়ী ঔষধ ও পরবর্তী চিকিৎসার পরামর্শও দিচ্ছেন। অনেকেই এই পরিষেবা নিতে এসেছিলেন, তাদের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ছিল বেশী।

আরও পড়ুন:বেতন একলাফে ৫২,৩৮০ টাকা! ভোটের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম পে কমিশন নিয়ে ‘সুখবর’?

গ্রামীন এলাকায় এই পরিষেবা পাঠানোয় বহু মানুষ উপকৃত হয়েছে। সকল মানুষ যাতে চিকিৎসা পান, তার জন্যই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নিয়মিত নজরদারিও থাকবে এই পরিষেবার উপর। সেদিকেও লক্ষ্য রাখছে স্বাস্থ্য ভবন। শিবিরের প্রথম কয়েকদিনে যে সংখ্যা কুড়ি দিনে, এক লাখ ছাড়িয়েছিল, ধীরে ধীরে তা বাড়ছে। বর্তমানে এই সংখ্যাটি ১০ লাখের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:‘সময়ের মধ্যে DA না মেটালে..,’ সুপ্রিম কোর্টের রায় সামনে আসতেই ময়দানে সরকারি কর্মীরা

One million people received treatment in the Swasthya Bandhu project camps

এই চিকিৎসা পরিষেবায় মানুষ সুলভে রোগ নির্ণয়ের সুযোগ পাচ্ছে ও সঙ্গে সঠিক ডাক্তারি পরামর্শও পাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ বিশেষ করে গ্রামের দিকে যারা থাকেন, যেখানে চিকিৎসা ব্যবস্থা এতটা উন্নত ছিল না, সেই সব জায়গায় চিকিৎসা পরিষেবাকে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে স্বাস্থ্য বন্ধু প্রকল্পের প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।