অভিষেকের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন থেকে ছাত্র আন্দোলনের বয়সসীমা নিয়ে কটাক্ষ ঋতব্রতর

Published on:

Published on:

Ritabrata Banerjee demands age limitation for Student Movement
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর মমতাপন্থী তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। তারপর থেকে তথাকথিত কালীঘাট তৃনমূলের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয়ে সরব হয়েছেন তিনি। এদিন তেমনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।

ছাত্র আন্দোলনের বয়সসীমা থাকা উচিত :  ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

শুরুতেই এদিন তিনি বললেন, ‘ঋতব্রতপন্থী কথাটায় আমার আপত্তি আছে আমরা একটা কালেকটিভ। ওই চাটার্ড মাফিয়া এবং ইন্ডিভিজুয়াল কার্ড পরিবারবাদের বিরুদ্ধে আমাদের একটা কালেকটিভ । দেখুন একটা ডিজিটাল মিডিয়া ছাড়া যখন প্রোগ্রাম শুরু হয়নি তখন আজকে জুম্মাবার। তারা গতবারের মতো এবারও তাদের রোল প্লে করেছে। কয়লা,বালি, গরু, পাথর চাকরি এর দ্বারা একটা অংশের ডিজিটাল মিডিয়া চলে। তো সেই ডিজিটাল মিডিয়া প্রাণপাত করেছে ।’

একইসাথে তিনি বলেছেন, ‘আমার শুধু একটা কথাই বলার, দেখুন আমাদের ৬৭ বছরের ছাত্র নেতা নেই। আমাদের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি প্রেসিডেন্সিতে পড়তো। আমি ৯৬ এর মাধ্যমিক দিয়েছি ৯৮-এ জিএস। কলোনিতে বড় হয়েছি। মোটামুটি যখন বুঝি তখনও যিনি ছাত্র নেতা ছিলেন। তারপর মাধ্যমিক দিলাম । তিনিই ছাত্রনেতা।’

আরও পড়ুনঃ ‘আমায় নাকি বেরোতে দেবে না, বুকের পাটা কত বড়?’ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে হুঙ্কার মমতার

এখানেই শেষ নয়! তিনি আরও জানান, ‘উচ্চমাধ্যমিক দিলাম তিনি ছাত্রনেতা তারপর কলেজের জিএস হলাম। ইউনিট সেক্রেটারি, লোকাল সেক্রেটারি, জোনাল সেক্রেটারি। করতে করতে জেলা, রাজ্য হয়ে দীর্ঘ আট বছর আমি সর্বভারতীয় স্তরে একটা ন্যাশনাল ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশনের জেনারেল সেক্রেটারি ছিলাম। ২০১৬ সালে ছেড়ে যখন কলকাতায় এলাম দেখলাম উনিই ছাত্রনেতা।’

নাম না নিয়েই তৃণমূল নেতার স্পষ্ট দাবী, ‘ ছাত্র নেতার তো একটা এজ থাকা দরকার। আমি ইস্ট জর্জিয়ার ডক্টরের কথা বলছি না। ইউনিভার্সিটিটাই নেই তা আর ডক্টরেটের কথা বলে কী হবে। পরে তো ডিলিট জোগাড় হয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যায়েও একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মানে ছাত্র আন্দোলনেরও একটা বয়স থাকা উচিত। ক্লাস টেন পাশ করেছেন ১৯৮৫ সালে, উচ্চ মাধ্যমিক আর পাশ করে উঠতে পারেননি। তিন বছর জেলে ছিলেন। জেল খাটা আসামী। এরাও ছাত্রনেতা, ৬৭ বছর বয়সেও ছাত্রনেতা। ইউজিসি বলছে যে ইউনিভারসিটির কোনো অস্তিত্ব নেই তাদের দেওয়া ডিগ্রীর ভ্যালু নেই। তাদের দেওয়া ডিগ্রী দেখছি জ্বলজ্বল করছে বিবিএ এমবি।’