‘আমরা জিতেছি, তবু…’, নবান্ন থেকে বড় বার্তা শমীকের

Published on:

Published on:

Samik Bhattacharya on Post-Poll Violence
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই রাজ্যের নানা জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) নবান্নে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি স্পষ্ট জানান, হিংসা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এই অশান্তির পেছনে তৃণমূলের নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই বড় কারণ।

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে শমীকের (Samik Bhattacharya) বার্তা

বুধবার নবান্নে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালার সঙ্গে বৈঠক করেন শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সৌমিত্র খাঁ। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে এসে তিনি বলেন, বিজেপি জিতেছে ঠিকই, কিন্তু তাদের দুই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে এটা খুবই দুঃখজনক। তিনি আরও বলেন, বিজেপি কখনও তৃণমূলের মতো আচরণ করবে না। তাঁর কথায়, “বিজেপির তৃণমূলীকরণ হবে না।”

কোথায় কোথায় অশান্তির অভিযোগ?

৪ মে ফল ঘোষণার পর থেকেই আসানসোল, বর্ধমান, হুগলি থেকে শুরু করে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। কোথাও তৃণমূল কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, কোথাও আবার পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ এসেছে। অন্যদিকে, বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে শমীক (Samik Bhattacharya) বলেন, “ফল উল্টো হলে এতক্ষণে আমাদের ২০০ কর্মী খুন হয়ে যেতেন।”

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ

শমীকের (Samik Bhattacharya) দাবি, এই অশান্তির পিছনে তৃণমূলের নিজেদের ভেতরের দ্বন্দ্বই বড় কারণ। তাঁর কথায়, অনেকেই তৃণমূলের পতাকা নিয়ে, গেরুয়া আবির মেখে নিজেদের দলের অফিস দখল করছে। একইসঙ্গে তিনি বিজেপি কর্মীদেরও সতর্ক করে দেন কোনওভাবেই জোর করে পঞ্চায়েত, পুরসভা বা পার্টি অফিস দখল করা চলবে না। এমন কিছু হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শমীক আরও জানান, তিনি মুখ্যসচিব এবং ডিজিকে কড়া হাতে পরিস্থিতি সামলানোর কথা বলেছেন। এখন সবচেয়ে জরুরি হল রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা।

Shamik Bhattacharya shocked to see the pilot car after BJP victory

আরও পড়ুনঃ সময় বেঁধে দিলেন শুভেন্দু, ৯ তারিখের পরেই বিজয় মিছিল, রাজ্যজুড়ে কড়া সতর্কতা

বিজেপির জয়কে তিনি (Samik Bhattacharya) সাধারণ মানুষের জয় বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এখন একটা আলাদা রাজনৈতিক পরিবেশ চাইছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ স্লোগানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই ধরনের হিংসা কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না।