নিত্যযাত্রীদের জন্য জোর ধাক্কা! আচমকা বন্ধ কলকাতার এই গুরুত্বপূর্ণ রুটের বাস

Published on:

Published on:

Shapoorji-Babughat bus service suddenly stopped passengers in trouble
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতার বুকে শতাধিক বাস (Bus Service) নানা রুটে চলাচল করে। সেগুলির উপর নির্ভরশীল বহু অফিসযাত্রী থেকে শুরু করে স্কুল ও কলেজ পড়ুয়ারা। এর মধ্যে কোনও রুটের বাস আচমকা বন্ধ হয়ে গেলে তাঁদের মহাসমস্যায় পড়তে হয়। ঠিক যেমন সোমবার সকালে হল। এদিন দেখা যায়, সাপুরজি-বাবুঘাট (Shapoorji-Babughat Bus) রুটে চলাচলকারী ২৩৯ নম্বর রুটের বাস বন্ধ। এতে ফাঁপরে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।

এদিন সকাল থেকে বন্ধ সাপুরজি-বাবুঘাট রুটের বাস | (Shapoorji-Babughat Bus)

সোমবার, সপ্তাহের প্রথম দিন সাপুরজি-বাবুঘাট রুটের যাত্রীরা দেখেন ২৩৯ নম্বর বাস চলছে না। আর্থিক অনিয়ম, সংগঠনের চাপ সহ বেশ কিছু অভিযোগে এদিন সকাল থেকে এই রুটের বাস রাস্তায় নামতে পারেনি।

আরও পড়ুনঃ ‘এনাফ ইজ এনাফ’! ভরা বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুমায়ুনকে কড়া দাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর

এদিকে ২৩৯ নম্বর বাস নিউটাউনের সাপুরজি থেকে সেক্টর ফাইভ, ইকো পার্ক হয়ে এস এন ব্যানার্জি রোড হয়ে বাবুঘাট এসে পৌঁছয়। অর্থাৎ যাদের নিয়মিত ধর্মতলা চত্বরে যাতায়াত করতে হয় তাঁদের জন্য এই বাস পরিষেবা বেশ জরুরি। একইসঙ্গে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহু অফিসযাত্রীও এই রুটের বাসের উপর নির্ভরশীল।

জানা গিয়েছে, সাপুরজি-বাবুঘাট রুটে সারাদিনে ৩৯টি বাস চলাচল করে। তবে এদিন সকাল থেকে এর মধ্যে একটিও বাস রাস্তায় নামেনি। অভিযোগ, বাসচালকরা কাজে যোগ দিতে গেলে তাঁদের বারণ করা হয়।

২৩৯ নম্বর বাস রুট নিয়ে এমনিতেই যাত্রীদের বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। সন্ধ্যা ৭টার পর বাস পাওয়া যায় না বলে দাবি ছিল তাঁদের। বাসমালিকদের দাবি, সন্ধ্যার পর চালকরা বাস নিয়ে রাস্তায় নামতে চান না।

Shapoorji-Babughat bus service suddenly stopped passengers in trouble

এই বিষয়ে বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ সাহা মালিকপক্ষের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, স্থানীয় শ্রমিক সংগঠন জোর করে বাসের পরিষেবা বন্ধ করে রেখেছে। মালিকদের তরফ থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আচমকা এভাবে এই রুটে বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিত্যযাত্রীরা ভীষণ সমস্যায় পড়েছেন। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান হবে এই নিয়ে চিন্তায় বাসমালিক, চালক, কন্ডাক্টর সকলে। সমস্যা দূর করতে প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছেন বাসমালিকরা।