বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ফের নতুন মোড়। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি আপাতত স্থগিত হয়ে গিয়েছে। ঠিক সেই সময়েই রাজ্যে SSC-র তরফে প্রকাশ করা হয়েছে ২০১৬ সালের নিয়োগ পরীক্ষার OMR শিটের ছবি। ফলে নিয়োগ দুর্নীতি, চাকরিহারাদের দাবি এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা, সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ ইস্যু।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলা ও OMR বিতর্ক (SSC Scam)
সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় এক পর্যায়ে বিচারপতি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেন, তিনি এতদিন ব্যস্ত ছিলেন বলেই হয়তো সময় দিতে পারেননি। এখন নির্বাচন শেষ হওয়ায় তিনি ‘ফ্রি’ রয়েছেন বলেও মন্তব্য শোনা যায় আদালতে। জবাবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনি সবসময়ই ফ্রি থাকেন।
এদিকে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই বড় পদক্ষেপ নেয় স্কুল সার্ভিস কমিশন। শনিবার নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরই SSC তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে সিবিআইয়ের উদ্ধার করা OMR শিটের ছবি। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষার OMR-গুলির স্ক্যান কপি আপলোড করা হয়েছে আদালতের নির্দেশ মেনে।
সূত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) তদন্তে নেমে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে একটি হার্ডডিস্ক উদ্ধার করেছিল সিবিআই। সেই হার্ডডিস্ক থেকেই শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বহু OMR শিট পাওয়া যায়। পরে সেই তথ্যই SSC-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। SSC আরও জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ২০১৬ সালের গ্রুপ C এবং গ্রুপ D পরীক্ষার্থীদের স্ক্যান করা OMR শিটও প্রকাশ করা হবে।
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে সরব হয়েছেন চাকরিহারাদের একাংশ। যাঁদের অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়নি, তাঁদের একটি অংশ আগামী ১৩ মে SSC ভবনে ডেপুটেশন দেওয়ার ঘোষণা করেছে। তাঁদের দাবি, যোগ্য প্রার্থীদের পুনরায় প্যানেলে ফিরিয়ে চাকরি দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ SIR-এর জন্যই হেরেছে দল! কল্যাণের অভিযোগে কী রায় সুপ্রিম কোর্টের?
চাকরিহারা ‘যোগ্য’ প্রার্থীদের অন্যতম মুখ সুমন বিশ্বাস দাবি করেন, এতদিন OMR প্রকাশ আটকে রাখা হয়েছিল। সরকার বদলের পরই তা সামনে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, যোগ্য প্রার্থীদের জন্য রি-প্যানেলিং করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত (SSC Scam)।













