বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস এবং আগামী পুরনির্বাচন ঘিরে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। ১৪৪টি ওয়ার্ডের বদলে আসন সংখ্যা ২০৯ করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। এই প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক আপত্তি ওঠার পর বিষয়টি আদালতেও পৌঁছেছে। সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ পুরসভার নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির উপর অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে। তার পরেই নিজের পরবর্তী পরিকল্পনার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
১৩ নভেম্বরের পর কী পদক্ষেপ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)?
শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অধিকারী জানিয়েছেন, এই মামলায় রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যাবে। পাশাপাশি কলকাতার ২০৯টি ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন তিনি। তারপর প্রতিটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব সামলানোর জন্য কো-অর্ডিনেটর বসানো হবে।

নির্বাচন নিয়েও আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, যারা ভোটে হেরে যায়, তারাই আদালতে মামলা করে। অন্যদিকে জয়ী হওয়ার লক্ষ্যে থাকা দলগুলি নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়। তাঁর দাবি, তাঁরাও ভোটের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং জয় তাঁদেরই হবে। ফলতা, রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে বিরোধীদের পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনেও কলকাতায় একই ফলের আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ৮ সপ্তাহের ডেডলাইন! OBC সংরক্ষণ নিয়ে কেন্দ্রকে কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট?
কী নিয়ে শুরু হয়েছিল আইনি লড়াই?
কলকাতা পুরসভার আসন সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করার উদ্যোগ ঘিরেই প্রথম আপত্তি ওঠে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ ছিল, ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগত ত্রুটি রয়েছে। বাম, কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল-সহ একাধিক পক্ষ এই নিয়ে সরব হয়। এরপর কসবার সিপিএম নেত্রী তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর দীপু দাস কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। সেখানে প্রথমে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে দুই পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সিঙ্গল বেঞ্চের এই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করে পরে ডিভিশন বেঞ্চে যান মামলাকারীরা। সেখান থেকেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির উপর অন্তর্বর্তী নির্দেশ আসে। এই পরিস্থিতিতে আগামী ১৩ নভেম্বরের পর ২০৯টি ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগের কথা জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।












