বিনিয়োগ বাড়াতে চালু হচ্ছে ইনসেনটিভ! ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Swapan Dasgupta reveals 5 thousand crore incentive fund allocated to attract investors

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি (West Bengal Industrial Policy) ঘোষণা হয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে ফের ইনসেনটিভ চালু করা হচ্ছে। এবার একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত (Swapan Dasgupta)।

প্রতি বছর ইনসেনটিভ দেবে রাজ্য সরকার | (Swapan Dasgupta)

গতকাল ইকো পার্কে পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ প্রসার নীতি ২০২৬ -এর উদ্বোধন হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং প্রমুখরা উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকেই শিল্পে বিনিয়োগ টানতে ইনসেনটিভ চালুর ঘোষণা করা হয়েছে।

Swapan Dasgupta

অর্থমন্ত্রী জানান, আপাতত এর জন্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে আগামী অর্থবর্ষ থেকে প্রধান খরচ আসতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ শতবর্ষ পেরিয়ে বড়মার মন্দিরের নামফলকের লেখা বদল! কারণ জানালেন নৈহাটির বিধায়ক

পাশাপাশি এই ইনসেনটিভ নিয়ে রাজ্যের পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে স্বপন বলেন, “যে ইনসেনটিভ চালু করেছিল, পরবর্তীতে আইন এনে সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই আইন কি বৈধ? তা নিয়েই প্রশ্ন আছে। সেই লায়াবিলিটি আছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৫০ হাজার কোটি টাকার লায়াবিলিটি আছে। সেটা কীভাবে দেওয়া হবে তা নিয়েই দুশ্চিন্তা।“

সংশ্লিষ্ট সাক্ষাৎকারে মার্কেটিং কীভাবে করা হবে সেই নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলা নিয়ে বাইরে বিতর্ক আছে। সেখানকার লোকের ধারণা, এখানে আর কিছু হয় না। এটা বড় সমস্যার জায়গা বলে দাবি করেন তিনি।

একইসঙ্গে স্বপন বলেন, “এখনও কে কোথায় তোলাবাজি করছে, কোথায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে, সেসব নিয়ে চিন্তা করতেই হবে। অনেকটা আয়ত্তে আনা হলেও পুরোটা এখনও সম্ভব হয়নি। দলের তরফ থেকে ও প্রশাসনের তরফ থেকে আমাদের আরও কড়া হতে হবে।“

রাজ্যে শিল্পের জোয়ার আনতে নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেখানে আলাদা করে নজর কেড়েছে ইনসেনটিভের বিষয়টি। কাজের প্রতি আগ্রহ ও দক্ষতা বা উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও আগামীদিনে এটি চালুর ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবার সেটা স্পষ্ট করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।