বাংলাহান্ট ডেস্ক : ভোজনরসিক বাঙালির জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে মিষ্টিমুখ। আর বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে ভোট উৎসবও অন্যতম। আর এই ভোট (West Bengal Assembly Election) উৎসবের চূড়ান্ত দিনে যে মিষ্টিমুখ হবে না তা কি হতে পারে? ভোটের ফলাফলের বেশ কিছুদিন আগে থেকেই নানান ধরণের মিষ্টির বরাত দেওয়া হয়ে গিয়েছে পার্টি বিশেষে। রাজ্যের মিষ্টির দোকানগুলিতেও ব্যস্ততা তুঙ্গে।
ভোট (West Bengal Assembly Election) আবহে মিষ্টি বিক্রেতাদের লাভ
বেশ কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতীক দেওয়া মিষ্টির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। মাথাপিছু মিষ্টির বাক্সের বরাত তো রয়েছেই, এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে লাড্ডু এবং অন্যান্য মিষ্টির বরাতও দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির বিজয় মিছিলে প্রদর্শন এবং বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে এই মিষ্টিগুলি।

আগাম মিষ্টির বুকিং: বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে ঢালাও মিষ্টির বরাত দেওয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন নামীদামী মিষ্টির দোকানগুলিতে হয়ে গিয়েছে আগাম বুকিং। কর্মীদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। মিষ্টির ধরণে বৈচিত্রেরও অভাব নেই। তৃণমূল শিবিরের (West Bengal Assembly Election) বরাতে তৈরি হয়েছে সবুজ রঙের রসগোল্লা, বিজেপি শিবিরের বরাত অনুযায়ী তৈরি হয়েছে কমলা লাড্ডু, কমলাভোগ থেকে পদ্মফুল প্রতীক দেওয়া কড়াপাকের সন্দেশ।
আরও পড়ুন : রুদ্রনীল থেকে অগ্নিমিত্রা, সকাল থেকেই গেরুয়া ঝড়, এগোলেন কোন কোন বিজেপি প্রার্থী?
চূড়ান্ত ব্যস্ততা দোকানে: বড় ছোট নির্বিশেষে সব মিষ্টির দোকানেই এখন কর্মীদের নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই। বিক্রেতাদের মতে, সারাবছর তো মিষ্টির বিক্রি থাকেই। তবে নির্বাচনের এই সময়টা তাঁদের জন্য বোনাস। এমনকি অর্ডার এতই বেড়েছে যে বাড়তি কারিগরও রাখতে হয়েছে অনেককে।
আরও পড়ুন : ম্যাজিক ফিগার পার বিজেপির, কোণঠাসা তৃণমূল, পরিবর্তনের পক্ষে ভোট রাজ্যবাসীর?
নির্বাচন স্পেশ্যাল মিষ্টিগুলির দাম সাধারণ মিষ্টির তুলনায় বেশিও রাখা হয়। ফলাফলে ইতিমধ্যেই বড়সড় ইঙ্গিত আসতে শুরু করেছে। অনেক জায়গায় মিষ্টি নিয়ে সেলিব্রেশনও শুরু হয়ে গিয়েছে। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বাড়বে। তবে দিনশেষে কোন মিষ্টি বেশি বিকোবে সেটাই দেখার।













