ভাড়া কম, অথচ চলে বন্দে ভারতের গতিতে! যাত্রীদের দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে দেয় এই ট্রেনগুলি

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিগত কয়েক বছরে ভারতীয় রেলে (Indian Railways) আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। শুধু তাই নয়, ক্রমবর্ধমান যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এবং তাঁদের সুষ্ঠুভাবে পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে একের পর এক বড় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে রেলের তরফে। এদিকে, ইতিমধ্যেই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সেমি হাই-স্পিড ট্রেন দেশজুড়ে চলাচল শুরু করেছে। ওই ট্রেন যাত্রীদের মধ্যেও তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। মূলত, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস তার অত্যাধুনিক সুবিধা এবং গতির জন্য পরিচিত। যার ফলে রাজধানী এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো অন্যান্য প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এর ভাড়া বেশি। এই কারণে অনেক সাধারণ যাত্রী ওই ট্রেনে ভ্রমণ এড়িয়ে চলেন। তবে, হতাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ, সুলভ ভাড়ার এমন অনেক ট্রেন আছে, যেগুলির গতি বন্দে ভারতের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। অর্থাৎ, আপনি কম ভাড়াতেই বন্দে ভারতের সমান গতি উপভোগ করতে পারবেন। বর্তমান প্রতিবেদনে এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করা হল।

কম খরচে ভারতীয় রেলের (Indian Railways) দ্রুতগামী ট্রেন:

জানিয়ে রাখি যে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ঘণ্টায় ১৮০ কিমি গতিতে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। তবে, এটি ঘণ্টায় ১৬০ কিমি পর্যন্ত গতিতে চলতে পারে। এদিকে, দিল্লি ও আগ্রার মধ্যে বর্তমান ট্র্যাকগুলিতে ট্রেনগুলি ঘণ্টায় ১৬০ কিমি গতিতে চলতে সক্ষম। এদিকে, অন্যান্য ট্রেনগুলি সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৩০ কিমি গতিতে পৌঁছায়। কিন্তু গড় গতি ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিমি।

These trains of Indian Railways run at the speed of Vande Bharat.

তবে, বেশ কয়েকটি মেল এক্সপ্রেস ট্রেন ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে চলে। যার মধ্যে রয়েছে স্বতন্ত্রতা সেনানী সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। এছাড়াও, ভগত সিং এক্সপ্রেস এবং অমৃতসর-জম্মু তাওয়ি রুটে ঘণ্টায় ১১০-১২০ কিলোমিটার গতিতে চলে।

আরও পড়ুন: LPG-র সঙ্কট মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের! প্রতিটি বাড়িতে দ্রুত পৌঁছে যাবে PNG

শুধু তাই নয়, হাওড়া-গাজিপুর সিটি রুটে চলা শহিদ এক্সপ্রেসও ঘণ্টায় প্রায় ১০০-১২০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছায়। এছাড়াও, দিল্লি-ঝাঁসি-জবলপুর রুটে ঘণ্টায় ১১০-১৩০ কিমি গতিতে চলে রানি লক্ষ্মীবাই এক্সপ্রেস। অন্যদিকে নেতাজি এক্সপ্রেস হাওড়া-কালকা রুটে ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিমি গতিতে চলে।

আরও পড়ুন: মেনে চলতে হবে ৩.৫ ঘণ্টার নিয়ম! IPL-এর দলগুলির জন্য কঠোর নির্দেশিকা BCCI-র

জানিয়ে রাখি যে, এগুলি হল স্ট্যান্ডার্ড মেইল-এক্সপ্রেস ট্রেন। যেগুলিতে স্লিপার থেকে শুরু করে, থার্ড-এসি এবং জেনারেল কোচ রয়েছে। দীর্ঘ দূরত্বে সফরের সময়ে উচ্চ গতির কারণে এই ট্রেনগুলি কম সময়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছয়। এছাড়াও, উন্নত ট্র্যাক এবং একটি ডেডিকেটেড করিডোর নির্মাণের ফলে গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে মালবাহী ট্রেনগুলিকে মূল ট্র্যাক থেকে তাদের ট্র্যাকে স্থানান্তরিত করা সম্ভব হয়েছে। আর এইভাবেই বর্তমানে দ্রুতগামী ট্রেনের সংখ্যাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।