RBI-র একটি সিদ্ধান্তেই হল বাজিমাত! যুদ্ধের মাঝেই ভারতীয় মুদ্রায় রকেটের গতি

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: গত ১ এপ্রিল থেকে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তথা RBI ব্যাঙ্কগুলিকে ভারতীয় বা বিদেশি কোনও গ্রাহককেই রুপিতে (Indian Rupee) মূল্যায়িত NDF (Non-Deliverable Forward) উপলব্ধ না করার নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে বিদেশি বাজারে রুপির অপ্রত্যাশিত ব্যবহার কমানো যাবে এবং রুপি শক্তিশালীও হয়েছে। RBI-র এই সিদ্ধান্তের ফলে বৃহস্পতিবার রুপির রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি ঘটেছে। ১৩ বছর পর এই প্রথম রুপির এত বৃদ্ধি ঘটেছে।

যুদ্ধের মাঝেই ভারতীয় মুদ্রায় (Indian Rupee) রকেটের গতি:

মূলত, RBI-র নির্দেশের পর ব্যাঙ্কগুলি তাদের অফশোর লং ডলার পজিশন কমাতে থাকে। যার ফলে ডলারের বিপরীতে রুপির দর ১.৮ শতাংশ বেড়ে ৯৩.১৭-তে পৌঁছে গিয়েছে। যা ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। গত ১ এপ্রিল, RBI ব্যাঙ্কগুলিকে প্রবাসী গ্রাহকদের রুপির Non-Deliverable Forward উপলব্ধ করা থেকে নিষিদ্ধ করে। এতে আরও বলা হয়েছে যে, কোম্পানিগুলি বাতিল হওয়া বৈদেশিক মুদ্রা ডেরিভেটিভস পুনরায় বুক করতে পারবে না।

This decision by RBI caused a huge increase in the Indian Rupee.

ভবিষ্যতেও এই সাপোর্ট অব্যাহত থাকবে: ইতিমধ্যেই CR ফরেক্স অ্যাডভাইজরির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমিত পাবারি মানিকন্ট্রোলের এক রিপোর্টে জানিয়েছেন যে, এর ফলে অদূর ভবিষ্যতে এই ধরণের পজিশন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা ডলারের কৃত্রিম চাহিদা হ্রাস করবে এবং রুপিকে সমর্থন জোগাবে। এর ফলে রুপি শক্তিশালী হতে পারে অথবা অন্তত এর স্থিতিশীলতা বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: ম্যাচ হেরে পন্থের প্রতি অসন্তুষ্ট সঞ্জীব গোয়েঙ্কা? LSG-র অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে দিলেন বিশেষ বার্তা

এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, ব্রেন্ট ক্রুডের দামে বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অব্যাহত ক্রমাগত অর্থ তুলে নেওয়ার কারণগুলির জন্য ২০২৬ অর্থবর্ষ ছিল এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে রুপির সবচেয়ে খারাপ বছর। গত ৩০ মার্চ রুপি অল্প সময়ের জন্য ডলার প্রতি ৯৫-এর মনস্তাত্ত্বিক সীমা অতিক্রম করে, এবং সেই সময়ে RBI রুপির বিপরীতে ব্যাঙ্কগুলির নেট ওপেন পজিশন সীমিত করার পদক্ষেপ নেয়। উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দেওয়ার পর অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে যায়। কিন্তু যুদ্ধ শেষ করার কোনও সময়সীমা দেওয়া হয়নি, যা এখন দ্বিতীয় মাসে গড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: তৈরি হল নতুন রেকর্ড! GST সংগ্রহে ৮.৮ শতাংশের বৃদ্ধি, চমকে দেবে মার্চ মাসের পরিসংখ্যান

যদিও তিনি দাবি করেছেন যে, আমেরিকা তার যুদ্ধকালীন লক্ষ্য অর্জন করেছে। ট্রাম্প এটাও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আলোচনার সময় ইরান যদি আমেরিকার শর্তে রাজি না হয়, তাহলে সংঘাত আরও বাড়তে পারে এবং ইরানের জ্বালানি ও তেল পরিকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে। ট্রাম্পের ভাষণের পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম তীব্রভাবে বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আজ রাতে বলতে পারি যে আমরা খুব শীঘ্রই আমেরিকার সমস্ত সামরিক উদ্দেশ্য অর্জনের পথে রয়েছি। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ ধরে আমরা তাদের ওপর খুব কঠিন আক্রমণ চালাব।’ তিনি এটাও জানান যে,’আমরা তাদেরকে তাদের আসল অবস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে যাব।’