বাংলা হান্ট ডেস্ক: যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শেয়ার বাজারে (Share Market) বিনিয়োগের প্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা ঝুঁকি থাকলেও সময় অনুযায়ী সঠিক স্টকে অর্থ বিনিয়োগ করলে হওয়া যায় লাভবানও। বর্তমান প্রতিবেদনে আমরা ঠিক সেইরকমই এক লাভজনক স্টকের প্রসঙ্গ উপস্থাপিত করব। যেটি ৫ বছরে ২,৪৫৯ শতাংশ রিটার্ন প্রদান করেছে। মূলত, আজ আমরা জানাব মাল্টিব্যাগার স্টক এফ মেক ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রসঙ্গে। ইতিমধ্যেই এই সংস্থা বোনাস শেয়ার ইস্যু এবং স্টক স্প্লিট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১০০ টাকারও কম দামের এই স্টকটি এই সিদ্ধান্তের কথা এক্সচেঞ্জকে জানিয়েছে। এই প্রথমবার কোম্পানিটি তার শেয়ার স্প্লিট করতে চলছে। একইসঙ্গে প্রথমবারের মতো কোম্পানিটি শেয়ার বাজারে এক্স-বোনাস ট্রেড করবে।
৫ বছরে ২,৪৫৯ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে এই স্টক (Share Market):
স্টক স্প্লিট: ইতিমধ্যেই স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল করা এক নথিতে এই সংস্থাটি জানিয়েছে যে, ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর একটি স্টক ৫ টি ভাগে বিভক্ত করা হবে। এই স্টক স্প্লিটের পর এফ মেক ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস-এর শেয়ারের ফেস ভ্যালু শেয়ার প্রতি ১০ টাকা থেকে কমে ২ টাকা হবে।

বোনাস শেয়ার মিলবে: সংস্থাটি ঘোষণা করেছে যে, বিনিয়োগকারীরা ১ টি বোনাস শেয়ার পাবেন। এফ মেক ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস ২ টাকার ফেস ভ্যালুর প্রতি ১০ টি শেয়ারের জন্য ১ টি বোনাস শেয়ার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানিয়ে রাখি যে, এই কোম্পানিটি এখনও বোনাস শেয়ার ও স্টক স্প্লিটের জন্য রেকর্ড ডেট ঘোষণা করেনি।
আরও পড়ুন: যুদ্ধের আবহে ভারতের বাজারে হবে না জ্বালানির সঙ্কট! নিয়ন্ত্রণে থাকবে দামও, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের
স্টকটির পারফরম্যান্স: শুক্রবার বাজার বন্ধের সময়ে, BSE-তে এফ মেক ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের স্টকের দাম ০.৬৪ শতাংশ বেড়ে ৯১.৩৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে। গত ১ মাসে কোম্পানিটির স্টকের দাম ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। স্টকটি এক বছরে ৩.৯২ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে। এই স্টকের ৫২-সপ্তাহের সর্বোচ্চ দর ১৫০ টাকা এবং ৫২-সপ্তাহের সর্বনিম্ন দর ৫৮ টাকা। কোম্পানিটির মার্কেট ক্যাপ ৮১.২৪ কোটি টাকা।
কোম্পানিটি ৫ বছরে ২,৪৫৯ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে: জানিয়ে রাখি যে, এফ মেক ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের স্টকের দাম ২ বছরে মাত্র ৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে, যে বিনিয়োগকারীরা ৩ বছর ধরে কোম্পানিটির স্টক হোল্ড করেছিলেন, তাঁরা ৩৩০ শতাংশ রিটার্ন পেয়েছেন। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল ৫ বছরে স্টকটির দাম ২,৪৫৯ শতাংশ বেড়েছে। BSE-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কোম্পানিতে প্রোমোটারের অংশীদারিত্বের পরিমাণ ছিল ৩৬.৯১ শতাংশ। অপরদিকে, পাবলিকের অংশীদারিত্ব ছিল ৬৩.০৯ শতাংশ।
সতর্কীকরণ: শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকির। তাই, বিনিয়োগের আগে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ গ্রহণ করুন।













