বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দীর্ঘ ১৫ বছর পর সরকারের পরিবর্তন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করে সিংহাসনে বিজেপি। এই পালাবদলে বদলে গিয়েছে সামগ্রিক চিত্র। বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের নতুন অবস্থান কী হবে, সেই বিষয় এখন স্পষ্ট নয়। সেই কারণে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হয়।
পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি | Dearness Allowance
গত ১৫ এপ্রিল হয়েছিল শেষ শুনানি। বুধবার ৩টের সময় সুপ্রিম কোর্টের ১১ নম্বর কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের স্পেশাল বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নয়া নোটিফিকেশন জারি করে বলা হয়েছে, জাস্টিস করোল ও মিশ্রের স্পেশাল বেঞ্চ বাতিল করা হয়েছে।
নোটিফিকেশন অনুযায়ী বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি এন কে সিং-এর রেগুলার বেঞ্চ এদিন ১১ নম্বর কোর্টে বসবে। ফলত ডিএ মামলার শুনানি এদিন হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ডিএ মামলার ভবিষ্যত নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে কর্মচারীমহলে।
সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের আইনজীবী কুণাল মেমানি সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছেন, রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে কোনো নির্দিষ্ট বক্তব্য বা সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়। নয়া সরকারের অবস্থান বিবেচনা করার জন্য তিন সপ্তাহের সময় চাওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতে।

আরও পড়ুন: IPL-এর মাঝেই দুঃসংবাদ! ৩৬ বছর বয়সে প্রয়াত পাঞ্জাব কিংসের প্রাক্তন পেসার, খেলেছেন কোহলির সঙ্গেও
বিজেপি সরকার তরফে নয়া নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত এই মামলার জট পুরোপুরি খোলা সম্ভব নয় বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। বুধবার ডিএ মামলার শুনানি পিছল ৩ সপ্তাহ। আগামী তিন সপ্তাহ পর সুপ্রিম কোর্ট পুনরায় এই মামলার শুনানি করবে।













