বস্তি থেকে বহুতল, কোথাও ছাড় নয়! দ্বিতীয় দফার আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

Published on:

Published on:

West Bengal Assembly Election 2026 Tight Security Net in Kolkata for Phase 2 Voting
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতায় দ্বিতীয় দফার ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) যত এগিয়ে আসছে, ততই নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে সতর্কতা। আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবার কোনও রকম অশান্তি বা বাধা এড়াতে আগে থেকেই একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন। বিশেষ করে যেসব এলাকায় আগে গোলমাল হয়েছে বা ভোটারদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে, সেগুলিকে চিহ্নিত করে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় দফার ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে কী ব্যবস্থা কমিশনের?

দ্বিতীয় দফার ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে এবার কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের তরফে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যেসব বুথ স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত, সেগুলিতে বাড়তি নজরদারি চালানোর কথা বলা হয়েছে।

উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বুথের আশেপাশে থাকা সরু গলিগুলিকে আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই গলিগুলিতে যাতে কোনও রকম অশান্তি বা বাধা তৈরি না হয়, তার জন্য একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ কলকাতায় ৪৫৮টি এবং উত্তর কলকাতায় ২৭০টি গলিতে নতুন করে সিসিটিভি বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আরও কিছু সংকীর্ণ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল চালানো হবে।

কমিশন জানিয়েছে, অতীতে যেসব এলাকায় ভোটের সময় হিংসার ঘটনা ঘটেছে, সেখানে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। বিশেষ করে কলকাতার বস্তি এলাকাগুলিকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এইসব এলাকায় অনেক সময় ভোটারদের ভোট দিতে যেতে বাধা দেওয়া হয়। তাই সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়মিত টহল দিতে বলা হয়েছে এবং সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।

এছাড়াও, যেসব বহুতল ভবনে এবার ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে, সেখানে বাসিন্দাদের আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে। ভোটের দিন বা তার আগের দিন যেসব গৃহকর্মী বা পরিচারিকা আসবেন, তাঁদের পরিচয় আগে থেকেই জানাতে হবে এবং তালিকা তৈরি করে রাখতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, প্রথম দফায় যেসব ত্রুটি ধরা পড়েছে, সেগুলি ঠিক করে দ্বিতীয় দফায় আরও সতর্কভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা হবে। কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ এবং উত্তর কলকাতার ডিইও স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, ভোটাররা যাতে ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন, সেটাই প্রধান লক্ষ্য।

Central Force Deployment in Phase 1 Elections

আরও পড়ুনঃ সামনে নয়া তথ্য, কোচবিহারে রেকর্ড ভোট, প্রথম দফায় বাংলার মোট কত শতাংশ?

উল্লেখ্য, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ (West Bengal Assembly Election 2026) হবে। এই পর্যায়ে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় ৩৮ হাজার ২৯৭ জন রাজ্য পুলিশের কর্মীকেও কাজে লাগানো হবে।