বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে চর্চা, বিতর্কের মাঝেই সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএ মামলা (DA Case)। নতুন রাজ্য সরকার গঠনের পর এই প্রথম সুপ্রিম কোর্টে উঠতে চলেছে পঞ্চম পে কমিশনের রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মামলা। পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার এই মামলা উঠতে চলেছে সর্বোচ্চ আদালতে।
ডিএ মামলার সুপ্রিম শুনানি বৃহস্পতিতে | Dearness Allowance
জানা যাচ্ছে, আগামী ২৩শে জুলাই দুপুর ২টোয় সুপ্রিম কোর্টের ৭ নম্বর কোর্টে এই মামলার স্পেশাল বেঞ্চে মিসলেনিয়াস শুনানি হতে চলেছে। মাননীয় বিচারপতি সঞ্জয় ক্যারল এবং মাননীয় বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর স্পেশাল বেঞ্চে ডিএ মামলার শুনানি হবে। মূল সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়ও এই বিষয়ে কর্মীদের অবগত করেছেন।
মনে করা হচ্ছে, এদিনের শুনানিতে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক হতে চলেছে রাজ্যের সরকারি অনুদান প্রাপ্ত (গ্রান্ট ইন এইড) প্রতিষ্ঠানগুলির (স্কুল-কলেজ, পুরসভা, পঞ্চায়েত, স্বয়ংশাসিত সংস্থা) অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, শিক্ষক, পেনশন প্রাপকরা। ফেব্রুয়ারী মাসে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ মতো তারা এখনও পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার এক পয়সাও পাননি বলে অভিযোগ।
আবার অভিযোগ উঠছে, বকেয়া ডিএ যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সর্বভারতীয় মূল্য সূচকের ভিত্তি মেনে ডিএ দেওয়া হয়নি। এই সমস্ত বিষয় আদালতের নজরে আনা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি নতুন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে কী ভূমিকা গ্রহণ করে সেই বিষয়েও নজর থাকবে কর্মীদের।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনার যাচাই প্রক্রিয়ায় বাধা! কেন আপত্তি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের?
তৃণমূল সরকারের বঞ্চনার পর বর্তমান বিজেপি সরকার ১০০% বকেয়া মেটানোর সদিচ্ছা দেখায় কিনা সেটাও থাকবে নজরে। উল্লেখ্য, এর আগে শেষবার ডিএ মামলার শুনানিতে বকেয়া মেটানোর কাজ কতদূর হয়েছে তা নিয়ে নয়া রাজ্য সরকারের কাছে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার রাজ্য কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার।













