আইসক্রিমের নামে ‘ফ্রোজেন ডেজার্ট’ খাচ্ছেন না তো? দুটোর মধ্যে পার্থক্য কী?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : প্রচণ্ড গরমে মুখে চওড়া হাসি এনে দেয় আইসক্রিম। আট থেকে আশি, আইসক্রিমে না বলেন না কেউই। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, যে আইসক্রিমটা (Ice Cream) খাচ্ছেন তা কোনও বড়সড় ক্ষতি ডেকে আনছে না তো স্বাস্থ্যে? আইসক্রিম ভেবে খেয়ে ফেলছেন না তো ‘ফ্রোজেন ডেজার্ট’?

আইসক্রিম (Ice Cream) ও ফ্রোজেন ডেজার্টের মধ্যে পার্থক্য

বাজারচলতি শব্দটি তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু আইসক্রিম বা ফ্রোজেন ডেজার্ট এর মধ্যে পার্থক্য জানেন? দুটির মধ্যে মূল পার্থক্য লুকিয়ে রয়েছে উপাদানের লিস্টে। ফ্রিজে থাকা যেকোনো ঠাণ্ডা ক্রিমজাতীয় খাবার কিন্তু আইসক্রিম নয়। FSSI এর নিয়ম অনুযায়ী, আইসক্রিমে নির্দিষ্ট পরিমাণ মিল্ক ফ্যাট থাকলে তবেই তাকে আইসক্রিম বলা যাবে।

What is the difference between ice cream and frozen dessert

কী থাকে উপাদানে: অন্যদিকে ফ্রোজেন ডেজার্টে ব্যবহার করা হয় মিল্ক ফ্যাটের বদলে ক্ষতিকর পাম অয়েল। এর উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় অনেক সংস্থাই পাম অয়েল ব্যবহার করে। সেক্ষেত্রে কিন্তু সেটা আর আইসক্রিম থাকে না, হয়ে যায় ফ্রোজেন ডেজার্ট। প্যাকেটের গায়ে আইসক্রিম না লিখে ফ্রোজেন ডেজার্ট লেখাও থাকে। বিশেষজ্ঞরা তাই পরামর্শ দেন লেবেলে লেখা উপাদান পড়ার জন্য। যদি লেবেলে দুধ, ক্রিম, বাটার বা মিল্ক ফ্যাট লেখা থাকে তবে তা আইসক্রিম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আর যদি আম অয়েল, পাম কার্নেল অয়েল, পাম অলিনের মতো উপাদান উল্লেখ থাকে তবে সেটি ফ্রোজেন ডেজার্ট।

আরও পড়ুন : বিয়ের পরেই মানবিক উদ্যোগ, ১৮০ জন পড়ুয়ার জীবন বদলে দিলেন বিজয়-রশ্মিকা

কীভাবে বুঝবেন পার্থক্য: আপনার কেনা পণ্যটি আইসক্রিম (Ice Cream) না ফ্রোজেন ডেজার্ট তার পরীক্ষা করা যায় ঘরেই। দুগ্ধজাত আইসক্রিম সাধারণত ধীরে ধীরে গলে এবং একটি মসৃণ ক্রিমি তরলে পরিণত হয়। অন্যদিকে ফ্রোজেন ডেজার্ট দ্রুত গলে যায় এবং পাতলাও হয়ে যেতে পারে। গলে গেলে সেই অংশটি গরম জলে মেশালে দুগ্ধজাত আইসক্রিম সহজে মিশে যাবে। কিন্তু ফ্রোজেন ডেজার্টে উদ্ভিজ্জ তেল থাকায় জলের উপর তেলের আস্তরণ দেখা যেতে পারে।

আরও পড়ুন : ৫৫ টি প্রকল্পে আবেদন থেকে সরকারি পরিষেবার সুবিধা, কতদিন চলবে জনকল্যাণ শিবির?

পাম অয়েল নিয়ে এত উদ্বেগ কেন? উল্লেখ্য পাম অয়েল কিন্তু বিশ্বের সবথেকে বেশি ভোজ্য তেল গুলির মধ্যে অন্যতম। কিন্তু এই তেলে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে বেশি। অতিরিক্ত এবং নিয়মিত ভাবে খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে পারে পাম অয়েল। তাই সময় থাকতে সতর্ক হওয়া জরুরি।